,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

অধ্যাপকরা ২৫ ভাগ প্রথম গ্রেড পাবেন

abulনিজস্ব প্রতিবেদক,  বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃঢাকা,  পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের ২৫ শতাংশ অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামোর গ্রেড-১ এ উন্নীত হবেন। আর এ ধাপে আসতে অধ্যাপকদের শিক্ষকতার বয়স হতে হবে নূন্যতম ২০ বছর।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বেতন বৈষম্য দূরীকরণ-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভা শেষে সন্ধ্যায় অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের নেতারা কমিটির এ সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামো নিয়ে বৈষ্যমের শিকার হয়েছেন বলে দীর্ঘ দিন থেকে আন্দোলন করে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকেরা। এজন্য তারা কর্মবিরতও পালন করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সভার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাবে। সেখান থেকে অনুমোদন হলে এটি কার্যকরে পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

শিক্ষকদের পদোন্নতির বিষয়ে অর্থসচিব মাহবুব আহমেদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা সাধারণ (প্রচলিত) নিয়মে অধ্যাপক হবেন। এরপর অধ্যাপক হিসেবে চার বছর চাকরি এবং স্বীকৃত জার্নালে গবেষণাধর্মী নতুন দুটি আর্টিকেল প্রকাশের শর্তে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে শিক্ষকরা দ্বিতীয় গ্রেডে উন্নীত হবেন। দ্বিতীয় গ্রেড থেকে প্রথম গ্রেডে যেতে হলে শিক্ষকতার ন্যূনতম বয়স হতে হবে ২০ বছর। একই সঙ্গে দ্বিতীয় গ্রেডে ২ বছর চাকরি করতে হবে। এরপর জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রথম গ্রেড প্রাপ্ত হবেন।’

অর্থসচিব জানান, মোট অধ্যাপকের ২৫ ভাগ প্রথম গ্রেড পাবেন, এর বেশি নয়।

এ বিষয়ে মুহিত বলেন, ‘বর্তমানে মাত্র পুরনো ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতিতে নীতিমালা কিছুটা অনুসরণ করে। নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নীতিমালা সঠিকভাবে অনুসরণ করে না। নতুন নীতিমালা সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালকে মানতে হবে। প্রয়োজনে আইন করা হবে।’

অর্থমন্ত্রী ও অর্থসচিবের ব্রিফিংয়ের পর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার জন্য কোনো ফান্ডই নাই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০০ কোটি টাকার বাজেটের মধ্যে মাত্র ৫০ লাখ টাকা গবেষণার জন্য বরাদ্দ থাকে। অর্থমন্ত্রীর কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যেন গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত ফান্ড পায়।’

তিনি বলেন, ‘দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের স্কলারশিপ নাই। আমাদের তরুণ মেধাবী শিক্ষকরা যাতে বাইরে যেতে পারে, পড়াশোনা করতে পারে, সে জন্য স্কলারশিপের ব্যবস্থা করা না হলে উচ্চশিক্ষায় বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টি হবে।’

 

 

বি এন আর/০০১৬০০৩০০২৪/০০০৪১৪/এস

মতামত...