,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

অনিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের শুমারী ১২ ফেব্রুয়ারী শুরু

dcমীর নাছির উদ্দীন সিকদার, চট্টগ্রাম,  বিডি নিউজ রিভউজ ডটকমঃ অনিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের প্রাথমিক তালিকা ভুক্তির কাজ  আগামি ১২ ফেব্রুয়ারী শুরু হয়ে  চলবে ১৭ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত । এই পাঁচ দিনে সংগ্রীহিত তালিকা যাচাই বাছাই করে মার্চের শেষ সপ্তাহেই চূড়ান্ত হবে অনিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের শুমারীর কাজ।  জাতিসংঘের সার্বিক তত্ত্বাবধানে শুমারী কার্যক্রম হচ্ছে, অনিবন্ধিত সকল  রোহিঙ্গাদের  শুমারীতে অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। যে যার অবস্থান থেকে সরকারের এ উদ্যোগকে সফল করার আহবান জানান জেলা প্রসাশক মেজবাহ উদ্দীন আহমদ।

অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শুমারী শুরুর প্রাক্ষালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আজ রবিবার এক প্রস্তুতিমুলক সভায় জেলা প্রশাসক আরও  বলেন,এ দেশে অবস্থান করছেন এমন সব  রোহিঙ্গাদের শুমারীতে  অংশ নিতে হবে এবং সরকারের পক্ষ থেকে  অবশ্যই রোহিঙ্গা জাতিসত্ত্বার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক অভিভাসন সংস্থার রুল অনুসারে বাংলাদেশ তাদের সকল ধরণের মানবিক সাহায্য- সহযোগিতা করবে।

সভায় রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহচানুল হায়দার বাবুল, পরিসংখ্যান ব্যুরোর যুগ্ম পরিচালক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়কারী  এমদাদুল হক,  চট্টগ্রাম জেলা (উত্তর) সমন্বয়কারী মোঃ শফিকুল ইসলাম ,  চট্টগ্রাম জেলা (দক্ষিণ) সমন্বয়কারী  মফিজুল হক , চট্টগ্রাম  পরিসংখ্যান ব্যুরোর  শকারি কর্মকর্তা মোঃ হারুনুর রশিদ,   আন্তর্জাতিক অভিভাসন সংস্থার (আইওএম)’র  প্রোগ্রাম অফিসার অনিন্দ্য দত্ত প্রমুখ ।

সভায়  অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শুমারী সফল করতে ব্যাপক প্রচারণা ও গণসচেতনতা তৈরীর উপর গুরুত্ব আরোপ করে স্থানীয় গন- প্রতিনিধি, ডাক্তার , সাংবাধিক ও স্থানীয় গন্য মান্য ব্যাক্তিবর্গ মতামত দেন   ।

বিশ্বব্যাংকের  অর্থায়নে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০১৬ সালের মার্চ নাগাদ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। মায়ানমার থেকে আগত রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা হিসাবে চিহ্নিত কক্সবাজার, চট্টগ্রাম,  তিন পার্বত্য জেলা বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও উপকূলীয় পটুয়াখালীতে এই শুমারি পরিচালিত হচ্ছে। রোহিঙ্গা নাগকিরদের এদেশে অনুপ্রবেশের কারণ চিহ্নিত করতে অনিবন্ধিত নাগরিকদের একটি সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরি, তাদের ছবি ও দলিলাদি সংগ্রহ, বর্তমান অবস্থান, এদেশে অনুপ্রবেশের আগে মিয়ানমারের স্থায়ী বাসস্থান নিরূপণ এবং আর্থসামাজিক পরিসংখ্যানই শুমারির প্রধান লক্ষ্য। চলমান শুমারি কার্যক্রমের ফলে দেশ ও জাতি এবং রোহিঙ্গারাও এ শুমারিতে  উপকৃত হবে । আন্তর্জাতিক অভিভাসন সংস্থার হিসাবে,কক্সবাজার, চট্টগ্রাম,  তিন পার্বত্য জেলা বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও উপকূলীয় পটুয়াখালীতে প্রায় ৫ লাখের অধিক রোহিঙ্গা বসবাস করলেও  কুতুপালং ও লেদা ক্যাম্পে মাত্র  ৩৩ হাজার নিবন্ধিত রোহিঙ্গা রয়েছে।

দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের নিয়ে রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপে রয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে  ‘রোহিঙ্গা’ ইস্যুটি দীর্ঘদিন অমীমাংসিত থাকায় বাংলাদেশ সরকার  এর সঠিক সুরাহা পথে নিয়ে যেতে চায়।

 

বিএনআর/১৬২৮/০০৫/ আর

মতামত...