,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও পাহারে চাদাঁবাজি বন্ধের দাবি পার্বত্য আ লীগের

নাজমুল হক হৃদয়, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ রাঙ্গামাটি, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও পাহারে চাদাঁবাজি যতক্ষণ পর্যন্ত সরিয়ে নেওয়া হবে নাহ তত দিন পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো এই দাবি জানিয়েছে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা আওয়ামীলীগ। এই দাবীর প্রেক্ষিতে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার ৪৯ টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্হগিত করার জন্য বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় সুষ্ঠু নির্বাচন ও স্বাভাবিক জীবন যাপন সম্ভব Cনয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা আওয়ামীলীগ জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্য্যালয়ে এই প্রেস ব্রিফিং  অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্হিত ছিলেন তিন পার্বত্য জেলার সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু, সাবেক রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি চিংকিউ রোয়াজা, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হাজী মোঃ মুছা মাতব্বর, রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক মমতাজুল হক,রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক  রফিকুল ইসলাম তালুকদার,বরকল উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সন্তোষ কুমার চাকমা,সাবেক রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা পরিষদের  ভাইস চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সেলিম,রাঙ্গামাটি পৌর আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নাছির উদ্দীন,রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক চম্পা চাকমা, সাবেক ছাত্রনেতা শহীদউজ্জামান রোমান সহ প্রমুখ ব্যাক্তিবর্গ উপস্হিত ছিলেন। সভায় বক্তারা বলেন পাহারে অবৈধ অস্ত্রের ভয়ে আমাদের যারা প্রার্থী ছিলো তারা অনেকেই সরে দাড়াচ্ছে। যার প্রক্ষিতেই আমরা একনো ১৯ টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রার্থী দিতে পারি নি। ভয়ে জনগন অবৈধ অস্ত্রের কাছে জিম্মি। যার কারনে আমাদের অনেক প্রার্থী কে ইতিমধ্যো হুমকি দিয়ে আসছে।নির্বাচন থেকে সরে দাড়াতে বলা হচ্ছে, ইতিমধ্যে একজনকে অপহরণ করা হয়েছে।   তাই আমরা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন দুই মাস পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছি নির্বাচন কমিশনের কাছে এবং তা বাস্তবায়িত হয়েছে। বক্তারা আরও বলেন পাহারে যতক্ষণ পর্যন্ত অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার,চাদাঁবাজি, গুম,হত্যা বন্ধ হবে নাহ ততদিন আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। আমরা চাই নির্বাচন নির্বাচনের মতই,গনতন্ত্র গনতন্ত্রের মত,রাজনীতি রাজনীতির মতই চলুক। পার্বত্য  এলাকার জনগনের স্বার্থে পার্বত্য  অঞ্চল থেকে অবিলম্বে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। চুক্তি বাস্তবায়নে অবৈধ অস্ত্রবাজরা বাধাগ্রস্ত করছে।যদি রাঙ্গামাটি ২৯৯ নং আসনের  সংসদ সদস্য উষাতন তালুকাদর আমাদের সাথে সুর মিলিয়ে আমাদেরকে সহযোগিতা করে তাহলে আমরা পার্বত্য চট্রগ্রাম কে অবৈধ অস্ত্র, সন্ত্রাস, চাদাঁবাজ মুক্ত এলাকা গড়ে তুলতে সক্ষম হবো।কারন উষাতন তালুকদার নিজে শিকার করেছেন পার্বত্য চুক্তি অনেকাংশে বাস্তবায়ন হয়েছে।আর কিছু প্রক্রিয়াধিন রয়েছে।  অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার না হলে আমরা নির্বাচনে যাচ্ছি নাহ।সুষ্ঠু পরিবেশে আমরা নির্বাচন করবো জনগন নির্বিগ্নে, নির্ভয়ে, ভোট কেন্দ্রে যাতে আসতে পারে সেই রকম সুষ্ঠু পরিবেশে আমরা নির্বাচন করতে চাই।সাধারন জনগন এভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে।  শুধু মাত্র নির্বাচন পর্যন্ত আমাদের দাবী  সীমাবদ্ধ থাকবে নাহ  এর বাইরে আমাদের দাবি বহাল থাকবে।

মতামত...