,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

আজ ৩ ডিসেম্বর; ঠাকুরগাঁও পাক-হানাদার মুক্ত দিবস

ইমন রায়, ঠাকুরগাও প্রতিনিধি,আজ ৩ ডিসেম্বর ঠাকুরগাঁও পাক-হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে শত্রুমুক্ত করে লাল সবুজের পতাকা উড়ায় মুক্তিকামী মানুষ।

যুদ্ধকালীন সময়ে এজেলায় মারা যায় হাজার হাজার নারী পুরুষ। স্বাধীনতার ৪৩ বছর পেরিয়ে গেলেও জেলার অধিকাংশ গণকবর এখানো সংরক্ষন করা হয়নি। তবে প্রশাসন বলছেন তালিকা তৈরির মাধ্যমে কবরগুলো সংরক্ষনে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
স্বাধীনতা যুদ্ধে এদেশিয় রাজাকার আলবদরদের সহায়তায় জেলার বিভিন্ন স্থানে ঘাটি করে পাকসেনারা। সদর উপজেলার শুখানপুকুরী, জাটিভাঙ্গা, জগন্নাথপুরসহ পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল,বালিয়াডাঙ্গী ও হরিপুর উপজেলার বিভিন্নস্থানে পাকসেনারা হামলা চালায় নিরস্ত্র মানুষের উপর। ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে লুটপাট চালায়। একত্র করে সাধারন মানুষকে র্নিমমভাবে গুলি চালিয়ে হত্যা করে। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধে পৈশাচিক গণহত্যার শিকার হয় জেলার প্রায় ২৫ হাজার মানুষ। ২ ডিসেম্বর পাকসেনাদের হটিয়ে শত্রুমুক্ত করে লাল সবুজের পাতাকা উড়ায় মুক্তিকামী মানুষ।
দেশকে স্বাধীন করতে পঙ্গুত্ব বরণ ও স্বামী হারা হলেও অনেকের মেলেনি বয়স্ক ও বিধবা ভাতা। জেলার বেশিরভাগ গনকবরগুলো আজো চিহ্নিত করা হয়নি। আর যেগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে তাও পরে আছে অবহেলা আর অযত্নে।
মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে জেলার গণকবর গুলো রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন সরকার। তবে কবরগুলোও সংরক্ষণ, বিধবাভাতা ও মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়নের দাবি জানান সম্প্রতি দায়িত্ব পাওয়া জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ বদরুদ্দোজা (বদর)।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল জানান, ইতোমধ্যে কয়েকটি গণকবর চিহ্নিত করে তা সংস্কার করা হয়েছে। বাকিগুলো চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। আশা করছি সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন।
তবে জেলাবাসির দাবি জেলায় শতাধিক গণকবর থাকলেও অর্ধেকেরও কম চিহ্নিত করা হয়েছে। কিছু কবর সংস্কার ও সংরক্ষণ করা হলেও বাকিগুলো পড়ে আছে অরক্ষিত ও অবহেলায়।
উল্লেখ্য, হানাদার মুক্ত দিবস পালনে উদীচি শিল্পগোষ্ঠির উদ্যোগে দিন ব্যাপি নানা কর্মসুচি গ্রহন করা হয়েছে।

মতামত...