,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

ইউপি নির্বাচনে নৌকাকে ছাড় দেবে না ধানের শীষ

eeনিজস্ব প্রতিবেদক , ঢাকা  , বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম:: দেশে  প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নিয়ে ভরাডুবির মুখে পড়লেও দলীয় প্রতীকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও অংশ নেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে  বিএনপি।

বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের জাতীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে বুধবার রাতে অনুষ্ঠিত দলটির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয় ।

জানা গেছে , আসন্ন ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহনের ব্যাপারে দলটির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং  নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের লক্ষ্যে সিনিয়র নেতাদেরকে তৃণমূলে যোগাযোগ রাখার ব্যাপারে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

তবে এখন দলের কাউন্সিল নিয়েই বেশি ভাবছে বিএনপি। গত ২৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ১৯ মার্চ কাউন্সিল করার ব্যাপারে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারা। ওই বৈঠকের সিদ্ধান্তের আলোকে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুমতি চেয়ে চিঠি পাঠায় দলটি। এর মধ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ওই কাউন্সিল অনুষ্ঠান করতে গণপূর্ত বিভাগ অনুমতি দিলেও পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো অনুমতি পায়নি বিএনপি।

বৈঠক সূত্র জানায়, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে কাউন্সিল অনুষ্ঠানের লক্ষ্য নিয়ে এখনো এগুচ্ছে বিএনপি। তবে সেখানে অনুমতি না পেলে প্রয়োজনে কাউন্সিল পেছানো হতে পারে। সেক্ষেত্রে বিকল্প হিসেবে রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে কাউন্সিল করার কথা ভাবছে দলটি। সম্মেলনস্থল পরিবর্তন হলে সেক্ষেত্রে সম্মেলনের নির্ধারিত তারিখও পরিবর্তিত হতে পারে। তবে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের আগেই দলটি এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে চায়।

কাউন্সিলের নির্বাচন কমিশনার হিসেবে টিএইচ খান ও ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকারকে নির্বাচন কমিশনার করা হতে পারে।
কাউন্সিলের আগে চেয়ারপাসন নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে কাউন্সিল সম্পন্ন করতে মূল কমিটির বাইরে গঠন করা হয়েছে আরো ১১টি উপ-কমিটি।

খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্রি.জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ, তরিকুল ইসলাম, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান।

প্রসঙ্গত,গেল পৌরসভা নির্বাচনে   ২৩৪ পৌরসভার মেয়র পদের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা নৌকা প্রতীকে ১৮১টি, প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মাত্র ২৪টি পৌরসভায় বিজয়ী হন। আর ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়রপ্রার্থীরা ভোট পান ৫১ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং বিএনপি মনোনীতরা পেয়েছেন ২৮ দশমিক ১৫ শতাংশ।

 

বি এন আর/ ১৬০২১১/০০০১৮/ বি

মতামত...