,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

ইউপি নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ের ছড়াছড়ি

upeনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ ঢাকা , সংসদ, পৌরসভার পর এবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ের ছড়াছড়ি।

বিএনপির অভিযোগ, সরকারি দলের বাধা আর নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতিত্বে প্রথম দফায় ৭৩৮টির ইউনিয়নের ১১৪টিতেই প্রার্থী দিতে পারেনি তারা। আওয়ামী লীগের ভাষায় এসব অভিযোগ অমূলক। অনেকটা একই সুর নির্বাচন কমিশনেরও। তবে, বিশ্লেষকদের মতে, যেকোনো ধরনের নির্বাচনী অপরাধ তদন্তের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। এজন্য লিখিত অভিযোগের কোন প্রয়োজন পড়ে না।

উল্লাস, হৈ চৈ নির্বাচনী আমেজ। ই্‌উনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে বাগেরহাটের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা যখন ফুরফুরে মেজাজে, তখন অভিযোগের পাহাড় বিএনপির। প্রথম ধাপে এ জেলার ২৬টি ইউনিয়নের ১৯ টিতেই চেয়ারম্যান প্রার্থী দিতে পারেনি দলটি। এজন্য আওয়ামী লীগকেই দুষছেন বিএনপির নেতারা।

প্রথম দফায় সারা দেশে এ রকম ৭১টি ইউনিয়নে কোনো প্রার্থী দিতে পারেনি বিএনপি। আর প্রার্থীতা বাতিল হয়েছে প্রায় অর্ধশত ইউনিয়নে। সবমিলিয়ে ১১৪টি ইউনিয়নেই থাকছে না বিএনপি মনোনিত কোনো প্রার্থী। মনোনয়ন দাখিলে বাধা ও হয়রানির অভিযোগ করেও…স্থানীয় পর্যায়ে কোনো প্রতিকার না পেয়ে ক্ষুব্ধ বিএনপি। ব্যবস্থা নিতে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশনকে।

কিন্তু এসব অভিযোগকে কোন পাত্তাই দিচ্ছে না নির্বাচন কমিশন। ফলে ফাইলবন্দিই থাকছে সেগুলো। আমলেও নেয়া হচ্ছে না গণমাধ্যমের খবরও।

সাবেক এ নির্বাচন কমিশনারের মতে, তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ এ নির্বাচনে বিনা ভোটে জয়ী হওয়া বিস্ময়কর। তাই শুধু রাজনৈতিক দলের অভিযোগ নয়, গণমাধ্যমের খবরও তদন্ত করা উচিৎ।

এম সাখাওয়াত হোসেনের মতে, বিনা ভোট জয়ী হওয়াসহ নানা অভিযোগের পরও তদন্ত না হওয়া এ রীতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে নির্বাচন কমিশন ও সেই সাথে গণতন্ত্রও।

 

 

বি এন আর/০০১৬০০২০২৮/০০০১৯৬/এস

মতামত...