,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

ইলিশ ধরা ও বিক্রি নিষিদ্ধ ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর

hilsa-fish_0-230x155নিজস্ব প্রতিবেদক,বিডিনিউজ রিভিউজঃআগামী ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরা ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে সরকার।

ইলিশ রক্ষায় প্রধান প্রজনন মৌসুমে ‘মা ইলিশ’সংরক্ষণ অভিযানের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ রবিবার ২ আক্টোবর সচিবালয়ে আয়োজিত ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান’ বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মো. ছায়েদুল হক এ তথ্য জানান।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, ৫-৭ বছর আগেও মানুষ ইলিশ খেতে পারত না। মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কঠিন পদক্ষেপের ফলে আজ ইলিশ মাছের ছড়াছড়ি। ১৫-২০ বছরের মধ্যে এবার অলি-গলিতে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে, গবীর মানুষও ইলিশ কিনে খেতে পারছেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় দেশের ২৭টি জেলায় এই ইলিশ ধরার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের অংশ হিসেবে ২২ দিন চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, শরীয়তপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকা, মাদারীপুর, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, জামালপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, খুলনা, কুষ্টিয়া ও রাজশাহী জেলার সব নদ-নদীতে ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে।

এই ২২ দিন ইলিশ আহরণ, বিতরণ, বিপণন, কেনাবেচা, পরিবহন, মজুদ, বিনিময়সহ সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। এ সময় মাছের আড়ত, হাটবাজার ও বিপণিবিতানগুলোতে (চেইন শপ) অভিযান পরিচালিত হবে।

এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানের সাত হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকাকে ইলিশের প্রজননক্ষেত্র হিসেবে ঘোষণার কথাও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।

গত বছর এ সময় ১৫দিন হলেও এবার ১৯৮৫ সালের মাছ রক্ষা ও সংরক্ষণ বিধি (প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন ফিস রুলস, ১৯৮৫) সংশোধন করে এ সময় ৭ দিন বাড়ানো হয়েছে। গত বছরের আগে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধের সময় ছিল ১১ দিন।

উল্লেখ্য, আশ্বিন মাসের প্রথম চাঁদের পূর্ণিমার দিন এবং এর আগে ৪ ও পরের ১৭ দিনসহ মোট ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে। এবার ১৬ অক্টোবর আশ্বিন মাসের প্রথম চাঁদের পূর্ণিমা।

মতামত...