,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

ইসলামী শিক্ষার দুর্বল চর্চারই জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছেঃ ড. ইফতেখার

aবাবুল হোসেন বাবলা, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃঅলিয়ে কামেল অধ্যক্ষ আল্লামা সৈয়দ শামসুল হুদা (রহঃ) ইসলামী শিক্ষা বিস্তার ও সুন্নিয়ত প্রসারে অবদান শীর্ষক এক সেমিনার ৭ মে শনিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিঃআবদুল খালেক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। গাউসিয়া সমিতি ও যুব সমিতি বাংলাদেশ এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সৈয়দবাড়ি দরবার শরিফের সাজ্জাদানশীন পীরে তরিকত আল্লামা সৈয়দ মছিহুদ্দৌলা।

প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন আল্লামা কাজী মঈনুদ্দীন আশরাফী।

সভায় বক্তারা বলেন, আধ্যাত্মিকতাই ইসলামের প্রাণশক্তি। আজ আধ্যাত্মিকতা বাদ দিয়ে সন্ত্রাসী ও জিহাদি ধারায় ইসলাম প্রচারের ব্যর্থ চেষ্টা চলছে। ফলে বিশ্বব্যাপী শান্তিকামী মানুষ আজ সন্ত্রস্ত। আধ্যাত্মিকতাবাদের দুর্বল প্রচারের কারণে জঙ্গিবাদ ও নাস্তিক্যবাদ আজ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। অধ্যক্ষ আল্লামা সৈয়দ শামসুল হুদা (রহ.) ইসলামের শান্তি, মানবতা ও ইনসাফের দর্শন বিকাশে ও ইসলামী নৈতিক শিক্ষা প্রসারে আজীবন নিবেদিত ছিলেন বলে বক্তারা উল্লেখ করেন। বক্তারা বলেন, নবী-ওলীদের প্রদর্শিত ইসলামের শান্তি-সম্প্রীতির দর্শন বিকশিত করে অশান্ত সংঘাতমুখর বিশ্বে শান্তি ও জননিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে হবে।

 চবি উপাচার্য ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, যা মুখে বলা হয় তা কাজের মধ্য দিয়ে বাস্তবায়ন করাই ইসলামের নির্দেশনা। বিশ্বাসের সঙ্গে কর্মের সমন্বয় সাধন আজ বড়ই জরুরি। আল্লামা সৈয়দ শামসুল হুদা (রহ.) এর মতো আধ্যাত্মিক সাধক তথা আউলিয়ায়ে কেরামের জীবন চরিত মানুষের সামনে যথাযথভাবে উপস্থাপনের তাগিদ দেন তিনি। সেমিনারে অতিথি ও আলোচক ছিলেন আল্লামা মুফতি ওবাইদুল হক নঈমী, প্রফেসর ড.নূ.ক.ম আকবর হোসেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চেয়ারম্যান আল্লামা এম.এ.মান্নান ও মহাসচিব মাওলানা এম.এ. মতিন, আল্লামা শাহ্ নুর মোহাম্মদ আলকাদেরী, উপাধ্যক্ষ আল্লামা জুলফিকার আলী চৌধুরী, মাওলানা স উ ম আবদুস সামাদ, অধ্যক্ষ আল্লামা তৈয়্যব আলী, পীরজাদা মাওলানা গোলামুর রহমান আশরফ শাহ্, শাহজাদা মাওলানা সৈয়দ তৌফিসুল হুদা, মাওলানা হাফেজ সৈয়দ রুহুল আমিন, মাওলানা জরিফ আলী আরমানি, সাংবাদিক আ ব ম খোরশিদ আলম খান, রাজনীতিবিদ মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইন, মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ শামসুর রহমান, মাওলানা তারেকুল ইসলাম প্রমুখ। সেমিনার সঞ্চালনায় ছিলেন মাওলানা আলী শাহ্ নেছারী। মুফতি ওবাইদুুল হক নঈমী বলেন, অত্যন্ত সাদাসিধে নিরীহ নির্লোভ ও মাটির মানুষ ছিলেন অধ্যক্ষ সৈয়দ শামসুল হুদা (রহ.)। কর্মগুণেই তিনি সবার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। ড. নূ ক ম আকবর হোসেন বলেন, সত্যিকার মানুষ গড়ার কারিগর ছিলেন সৈয়দ শামসুল হুদা (রহ.)। বিশাল ব্যক্তিত্ব ও বড় মাপের মানুষ ছিলেন তিনি। আজ অবক্ষয়ের এ সময়ে তাঁর মতো কীর্তিমান শিক্ষক ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব বড় প্রয়োজন। আল্লামা এম.এ. মান্নান বলেন, সুন্নিয়তের প্রচারে ও দ্বীনি শিক্ষা বিস্তারে আজীবন নিবেদিত থেকে বিরল কীর্তির স্বাক্ষর রেখেছেন সৈয়দ শামসুল হুদা (রহ.)।
সভাপতির বক্তব্যে আল্লামা সৈয়দ মছিহুদ্দৌলা বলেন, বুজুর্গ পিতার আরাধ্য পথে আমরা নিজেদের উৎসর্গীত রেখেছি। সুন্নিয়তের খেদমতে ও মানবতার সেবায় হুজুর কেবলা (রহ.) আমাদের পাথেয় স্বরূপ। সালাত সালাম শেষে দেশ ও বিশ্ববাসীর শান্তি-কল্যাণ কামনায় মুনাজাত পরিচালনা করেন পীরে ত্বরিকত আল্লামা সৈয়দ মছিহুদ্দৌলা। বহু সংখ্যক দ্বীনদার জনতা সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।

মতামত...