,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

কক্সবাজারের সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট অপরাধের স্বর্গরাজ্য

rajjakআবদুর রাজ্জাক, কক্সবাজার প্রতিনিধি,বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ পর্যটন নগরী কক্সবাজারের অতি ব্যস্ততম ও পর্যটক সমাগম এলাকা সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে’র অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা ঝিনুক মার্কেট (ঝুঁপড়ি দোকানগুলি) অপরাধের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। ওই ঝুঁপড়ি দোকানগুলোর কথিত সভাপতি জালাল/ফরিদ চক্র প্রতি মাসে প্রায় অর্ধ কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি। এমনকি উক্ত চক্র জেলা প্রশাসন ও ট্যুরিষ্ট পুলিশের নামেও প্রতিনিয়ত চাঁদা আদায় করছে। একই সাথে ইয়াবা,পতিতা ব্যবসা থেকে শুরু করে এমন কিছু নেই সেখানে করছে না কথিত সভাপতি জালাল/ফরিদ চক্র। ব্যবসার আড়ালে প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা অপরাধ।

aসম্প্রতি শহরের নতুন বাহারছড়া এলাকার বীচ বাইক ব্যবসায়ী আনোয়ার ইসলাম হিরুর কাছে চাঁদার জন্য গেলে চাঁদা না দেওয়ায় তার এক মাত্র গাড়ি রাখার ঘরটি নারকীয় কায়দায় ভেঙ্গে দেয় ও ব্যাপক তান্ডব চালায় চাঁদাবাজ চক্রের প্রধান জালাল, তার সহযোগী ফরিদ ও অন্য সাঙ্গ পাঙ্গরা। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ টাকা। পরে খবর পেয়ে ট্যুরিষ্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি সার্কেল) রায়হান কাজেমী ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, পুরো সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট জুড়ে শুধু চাঁদাবাজি নয়, ইয়াবা ও হেরোইন ব্যবসায়ী, মদ বিক্রতা, ছিনতাইকারী ও সমাজের গর্হিত অপরাধের সাথে জড়িত চিহ্নিত অপারাধিদের নিরাপত্তা দেয় একটি চক্র। এমনকি সে নিজেই এই অপরাধ গুলো বেপরোয়াভাবে করে যাচ্ছে। নিজেকে যে ঝুঁপড়ি দোকানের (অবৈধ ঝিনুক মার্কেট) সভাপতি দাবি করছে সেটি পুরোপুরি অবৈধ। ওই চক্র রীতিমত একটি অপরাধী সিন্ডিকেট তৈরি করে নিয়মিত সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট, লাবণী পয়েন্টসহ পুরো সৈকত এলাকায় চুরি, ছিনতাইসহ পর্যটকদের নানা হয়রানি করে চলছে। অবৈধ ঝুঁপড়ি দোকান ঝিনুক মার্কেটটি সমুদ্র সৈকতের ব্যস্ততম সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকার সৌন্দর্য হানি ও পরিবেশ দুষিত করেযেমনিভাবে সৈকতের সৌন্দর্য হানি করছে তেমনিভাবে কথিত ব্যবসার আড়ালে রাতের আঁধারে চলছে নানা অপকর্ম। তবে এই অপকর্মের মূলহোতা ওই চক্রের দাবী করছে তারা ট্যুরিষ্ট পুলিশ ও প্রশাসনকে টাকা দিয়ে এসব করছে।সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট ঝুঁপড়ি দোকানগুলোতে অবৈধ সংযোগে প্রতিমাসে লাখ টাকার বিদ্যুৎ চুরি করছে ।
অভিযোগ রয়েছে, ওই সব ঝুঁপড়ি দোকানগুলোতে রোহিঙ্গাসহ অপরাধীদের পুর্ণাবসন করা হচ্ছে। রোহিঙ্গা কর্মচারীরা দিনে দোকানী সাজলেও সন্ধ্যার পরপরই এদের রূপ পাল্টে যায়। এরা ভয়ংকর ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত রয়েছে এবং এসব অপকর্মের নের্তৃত্বদানকারী ওই চক্রের হোতা বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া সৈকত এলাকায় কেউ ব্যবসা করলে তাকে নিয়মিত চাঁদা দিয়ে ব্যবসা করতে হবে বলে প্রকাশ্যে হুংকার ছাড়েন।
স্থানীয় সুত্র জানায়, মাদকাসক্ত কিছু লোক নেতা সেজে এলাকার নীরবে বড় চাঁদাবাজ করে চরম বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

মতামত...