,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

কক্সবাজারে ট্যুরিস্ট পুলিশের সেবায় মুগ্ধ পর্যটকরা

police-turistআবদুর রাজ্জাক,কক্সবাজার জেলা সংবাদদাতা, বিডিনিউজ রিভিউজঃ পর্যটন নগরী কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে দায়িত্বরত ট্যুুরিস্ট পুলিশ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত হতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবা দেয়ার জন্য দিনরাত নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি সমুদ্র সৈকতে হকারদের উৎপাত থেকে রক্ষা, স্বাচ্ছন্দে সৈকতে ঘুরে বেড়ানো ও মাইকিং করে সেবা প্রদান করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ । পর্যটকদের সেবার মান আরও বাড়াতে কক্সবাজার ট্যুুরিস্ট পুলিশ তপ্ত বালুকাময় সৈকতে পানি ছিটিয়ে ‘ওয়াকওয়ে’ তৈরী, লাইফগার্ড কর্মীদের প্রশিক্ষণ, সৈকত এলাকা হকার মুক্ত করা, সৈকতের কিটকট, বিচবাইক, জেড স্কি’র ভাড়া নির্ধারণ, সৈকতের মার্কেটগুলোতে চলাফেরার জন্য রাস্তা দখলমুক্ত করাসহ অনেক ইতিবাচক ও পর্যটনবান্ধন কর্মসুচি বিভিন্ন কর্মসুচি হাতে নিয়েছে ।নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে ‘ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স’ চালু করেছে।পর্যটকদের সেবার মান বাড়াতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে কর্মরত ফটোগ্রাফার্সদের ইতিমধ্যেস ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে বিশেষ প্রশিক্ষণ। বেড়াতে আসা পর্যটকরা যাতে প্রচন্ড গরমে সমুদ্রের বালিযাড়িতে হাটাতে পারে তার জন্য ট্যুরিষ্ট পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে পানি ছিটিয়ে ‘ওয়াকওয়ে’ ব্যবস্থা। আসন্ন পর্যটন মৌসুমের শুরু হওয়ার আগেই ট্যুরিস্ট পুলিশের এমন কর্মতৎপরতা সমুদ্র সৈকতসহ পর্যটন নগরী কক্সবাজারের ব্যবসায়ীদের মনে নতুন আশার আলো সδারিত হচ্ছে। সৈকতে বেড়াতে এসে ট্যুরিস্ট পুলিশের কাছে এসব সেবা পেয়ে সত্যিই আমরা খুশি।
এব্যাপারে ট্যুুরিস্ট পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবা দেয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সে জন্য পর্যটকদের ভ্রমন আনন্দ ও স্বাচ্ছন্দময়ী করতে ট্যুুরিস্ট পুলিশ সার্বক্ষনিক প্রস্তুত রয়েছি। পর্যটকরা যাতে উত্তপ্ত বালিতেও পায়ে হেঁটে সমুদ্র সৈকতে নামতে পারে সেজন্য কক্সবাজার ট্যুরিষ্ট পুলিশের পক্ষ থেকে লাবনি পয়েন্টে পানি ছিটিয়ে ওয়াকওয়ে তৈরি করা হয়েছে।আগামীতে ট্যুুরিস্ট পুলিশ আরো পর্যটকসেবামূলক কর্মসুচি হাতে নেয়ার পরিকল্পনাসহ সৈকত এলাকা হকার মুক্ত করা, সৈকতের কিটকট, বিচবাইক, জেড স্কি’র ভাড়া নির্ধারণ, সৈকতের মার্কেটগুলোতে চলাফেরার জন্য রাস্তা দখলমুক্ত করা, সৈকতের ৩টি পয়েন্টে মাইকিং, সেবামূলক লিফলেট বিতরণ, সৈকতের লাবণী পয়েন্টে পর্যটকদের যাতায়াতের জন্য ওয়াকওয়ে তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি হোটেলে ট্যুরিস্ট পুলিশের পর্যটকদের জন্য সেবামূলক লিফলেট বিতরণ করে গণসচেতনতা তৈরী করা,পর্যটকদের সেবার মান বাড়ানোসহ বিভিন্ন ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
জানা যায়,বিগত ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে মাত্র একজন পরিদর্শকের নেতৃত্বে ৩০ সদস্য নিয়ে বাংলাদেশে ট্যুরিস্ট পুলিশের যাত্রা। ৬ মাস পরে এসে ২০১৪ সালের ২৫ জুলাই আরো ৫২ জন সদস্য নিয়ে কক্সবাজারে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ট্যুরিস্ট পুলিশ।বর্তমানে ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার জোনে একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, দুইজন সহকারী পুলিশ সুপার, দুইজন ইন্সপেক্টর, ৬ জন এসআই, ১৮ জন এএসআই, ৩ জন এটিএসআই, ৩ জন নায়েক, ৮২ জন পুরুষ কনস্টেবল ও ৬ জন নারী কনস্টেবলসহ ১’শত ৩০ জন পুলিশ সদস্য কর্মরত রয়েছে।

মতামত...