,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

কক্সবাজারে প্রথমবারের মত বোয়িং যুগের সুচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

কক্সবাজার সংবাদদাতা, ৬ মে, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: কক্সবাজারে প্রথমবারের মত বোয়িং যুগের সুচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বোয়িংয়ে চড়ে প্রথমবারের মতো কক্সবাজার গেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের প্রধান পর্যটন নগরীতে সুপরিসর উড়োজাহাজ চলাচলেরও সূচনা হলো।

আজ শনিবারের এই সফরে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের উদ্বোধন এবং দুটি এলএনজি টার্মিনালের ভিত্তিফলক উন্মোচনসহ বেশ কয়েকটি প্রকল্প উদ্বোধন ও ভিত্তিফলক উন্মোচন করবেন সরকারপ্রধান।

ঢাকা থেকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে রওনা হয়ে সকাল ১০টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছায় বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের উড়োজাহাজ মেঘদূত। কক্সবাজারের সম্প্রসারিত রানওয়ে ব্যবহার করে নামার পর বিমানবন্দরে বড় আকারের উজোজাহাজ চলাচল উদ্বোধনের পর মোনাজাত করেন প্রধানমন্ত্রী।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকারের নির্মাণ করা এ বিমানবন্দরটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এতদিন কেবল ড্যাস কিউ ৪০০ মডেলের ৭৪ আসনের যাত্রীবাহী উড়োজাহাজে এবং এর চেয়ে ছোট যাত্রীবাহী ও কার্গো উড়োজাহাজই এ বিমানবন্দরে ওঠানামা করতো। কিন্তু কক্সবাজারকে একটি আধুনিক পর্যটন নগরী এবং মহেশখালীকে বিনিয়োগের ‘হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার কাজ শুরুর প্রোক্ষপটে সরকার এ বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক করার কাজ শুরু করেছে।

কক্সবাজার বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক সাধন কুমার মোহান্ত বলেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিণত করার লক্ষ্যে উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছে। ২০১৮ সালের জুনের মধ্যে এ কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তখন এখানে বোয়িং ৭৪৭ বা ৭৭৭ এর মতো্ বড় উড়োজাহাজও নামতে পারবে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ কর্মকর্তা শাকিল মেরাজ বলেন, বাংলাদেশের এভিয়েশনে এটি একটি মাইলফলক। এটি কমার্শিয়াল ফ্লাইট হলেও প্রধানমন্ত্রী থাকায় সেটিকে ‘ভিভিআইপি ফ্লাইট’ ঘোষণা করা হয়। এখন থেকে এই মডেলের উড়োজাহাজ দিয়ে কক্সবাজারে সপ্তাহে একটি ফ্লাইট চালাবে বিমান। ভবিষ্যতে প্রয়োজনে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানো হবে।

মতামত...