,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে ভিক্ষুক ও হকারমুক্ত করার ঘোষণা ট্যুরিস্ট পুলিশের

cox-hakerআবদুর রাজ্জাক,কক্সবাজার,বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: বিশ্বের সবচেয়ে র্দীঘ সমুদ্র সৈকত পর্যটন নগরী কক্সবাজারে সী-বিচের দায়িত্বরত ট্যুরিস্ট পুলিশ এক ব্যতিক্রমর্ধমি উদ্দ্যোগ গ্রহণ করেছে। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসা বিভিন্ন দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আনন্দ ভ্রমন আরো স্বাচ্ছন্দময়ী করে তুলতে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে রবিবার কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এলাকাকে ভিক্ষুক ও হকারমুক্ত করার ঘোষণাসহ সমুদ্র সৈকত এলাকায় টোকাই ও ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে, তাদের ব্যাপারে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনাও রয়েছে ।ঘোষণা বাস্তবায়নে রবিবার থেকে মাঠে নেমেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।turist-police

এ ব্যাপারে ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোন এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এ এস পি) হোসাইন মোঃ রায়হান কাজেমী জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবা দেয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সে জন্য পর্যটকদের ভ্রমন আনন্দ ও স্বাচ্ছন্দময়ী করতে ট্যুুরিস্ট পুলিশ সার্বক্ষনিক প্রস্তুত রয়েছি। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসা বিভিন্ন দেশী-বিদেশী পর্যটকদের ভ্রমন আরো স্বাচ্ছন্দময়ীসহ বিশ্বের নিকট কক্সবাজারকে আরো বেশী পরিচিতি তুলে ধরতে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে সমুদ্র সৈকত এলাকাকে ভিক্ষুক ও হকারমুক্ত করার ঘোষণাসহ সমুদ্র সৈকত এলাকায় টোকাই ও ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার এই ব্যতিক্রমর্ধমি উদ্দ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং আগামীতে ট্যুুরিস্ট পুলিশ আরো পর্যটকসেবামূলক কর্মসুচি হাতে নেয়ার পরিকল্পনাসহ সৈকত এলাকা হকার মুক্ত করা, সৈকতের কিটকট, বিচবাইক, জেড স্কি’র ভাড়া নির্ধারণ, সৈকতের মার্কেটগুলোতে চলাফেরার জন্য রাস্তা দখলমুক্ত করা, সৈকতের ৩টি পয়েন্টে মাইকিং,সেবামূলক লিফলেট বিতরণ, সৈকতের লাবণী পয়েন্টে পর্যটকদের যাতায়াতের জন্য ওয়াকওয়ে তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি হোটেলে ট্যুরিস্ট পুলিশের পর্যটকদের জন্য সেবামূলক লিফলেট বিতরণ করে গণসচেতনতা তৈরী করা,পর্যটকদের সেবার মান বাড়ানোসহ বিভিন্ন ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।এবং শহরের সমিতিপাড়া, বাদশাঘোনা, ঘোনারপাড়া, লাইট হাউজ, কলাতলী আদর্শ গ্রামসহ গুনুত্বপূর্ণ এলাকায় মা সমাবেশ, অভিভাবক সমাবেশ ও স্কুল ভিত্তিক শিক্ষার্থী সমাবেশ আয়োজন করা হবে। আগামী সপ্তাহ নাগাদ এ কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে তিনি জানান।
এদিকে পর্যটন নগরী কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে দায়িত্বরত ট্যুুরিস্ট পুলিশ নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে ‘ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স’ চালু করেছে।পর্যটকদের সেবার মান বাড়াতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে কর্মরত ফটোগ্রাফার্সদের ইতিমধ্যেস ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে বিশেষ প্রশিক্ষণ। পর্যটন মৌসুমের শুরু হওয়ার আগেই ট্যুরিস্ট পুলিশের এমন কর্মতৎপরতা সমুদ্র সৈকতসহ পর্যটন নগরী কক্সবাজারের ব্যবসায়ীদের মনে নতুন আশার আলো সδারিত হচ্ছে। সৈকতে বেড়াতে এসে ট্যুরিস্ট পুলিশের কাছে এসব সেবা পেয়ে সত্যিই আমরা খুশি।
জানা যায়,বিগত ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে মাত্র একজন পরিদর্শকের নেতৃত্বে ৩০ সদস্য নিয়ে বাংলাদেশে ট্যুরিস্ট পুলিশের যাত্রা। ৬ মাস পরে এসে ২০১৪ সালের ২৫ জুলাই আরো ৫২ জন সদস্য নিয়ে কক্সবাজারে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ট্যুরিস্ট পুলিশ।বর্তমানে ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার জোনে একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, দুইজন সহকারী পুলিশ সুপার, দুইজন ইন্সপেক্টর, ৬ জন এসআই, ১৮ জন এএসআই, ৩ জন এটিএসআই, ৩ জন নায়েক, ৮২ জন পুরুষ কনস্টেবল ও ৬ জন নারী কনস্টেবলসহ ১’শত ৩০ জন পুলিশ সদস্য কর্মরত রয়েছে।

মতামত...