,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাখো মানুষের ঢল: সনাতন ধর্মালম্ভীদের প্রতিমা বিসর্জন

cআবদুর রাজ্জাক, কক্সবাজার, বিডিনিউজ রিভিউজঃ কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নজিরবীহিন নিছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও কঠোর নজরদারীর মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মালম্ভীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমীর প্রতিমা বিসর্জন ১১ অক্টোবর মঙ্গলবার বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্টে সম্পন্ন হয়। ১১ অক্টোবর মঙ্গলবার সৈকতের মুক্তমঞ্চে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত কক্সবাজার পৌরসভার সার্বিক ব্যবস্থ্পানায় জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এড.রনজিত দাশের সভাপতিত্বে প্রতিমা বির্সজন অনুষ্টান উত্তর এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শ্রী বীরেন সিকদার এম.পি।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন,কক্সবাজার-রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি,জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরী,জেলা পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ, কক্সবাজার মড়েল থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আসলাম হোসেন,অর্ধ্যাপক প্রিয়তোষ শর্মা চন্দন,কক্সবাজার পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র,পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বাবু উজ্জল কর, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সাধারণ সম্পাদক বাবুল শর্মা,জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: জাফর আলম এম.এ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে ধারাবাহিকভাবে প্রায় দু’শতাধিক প্রতিমা বিসর্জন করেন সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ে। এসময় আরতী, ঢোলক বাদ্যির তালে তালে মা দুর্গা কি জয় এই শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে সমুদ্র সৈকত এলাকায় পুলিশের পাশাপশি র‌্যাব,বিজিবি,ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইনশৃংখলাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি লক্ষণীয়।

দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে সমুদ্র সৈকতের লাবনী পয়েন্টে কক্সবাজার জেলা ও জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ঢাকঢোল বাজিয়ে, সংগীতের মুর্ছনায় নেচে-গেয়ে প্রতিমা নিয়ে উপস্থিত হন । একই সঙ্গে আসা ভক্ত, পূজার্থী, দর্শনার্থী ছাড়াও দেশ-বিদেশের বিপুল সংখ্যক পর্যটক ও বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বিজয়া দশমীর প্রতিমা বিসর্জনে শামিল হন। উত্তরপ্রান্তে ডায়াবেটিক হাসপাতাল ও দক্ষিণে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত সৈকতের তিন কিলোমিটার বেলাভূমি জুড়ে লোকে লোকারণ্য হয়ে উঠে তিল ধরনের জায়গাও ছিলনা । এক পর্যায়ে সৈকতের লাবনী পয়েন্ট লাখো মানুষের মিলন মেলায় পরিনত হয় ।
এব্যাপারে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এড.রনজিত দাশ বলেন, সৈকতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে কক্সবাজারের সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার দৃঢ় প্রত্যায় প্রত্যয় ঘোষণা করেন।

মতামত...