,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বীচ কার্ণিভাল বন্ধ

534নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম, ২৭, ডিসেম্বর (বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম):  কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে থার্টি ফাস্ট নাইট পালিত হচ্ছে না। নাশকতার আশঙ্কায় সন্ধ্যার পর থেকে কক্সবাজার সৈকত এলাকায় সকল প্রকার অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। রোববার বিকাল সাড়ে ৪ টায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় জানানো হয় নিরাপত্তার স্বার্থে প্রশাসনের পক্ষে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রতি বছর ইংরেজি বর্ষবরণ ও পুরনো বছরকে বরণে ৩১ ডিসেম্বর রাত ১২টা ১ মিনিটে দেশের সবচেয়ে বড় আয়োজন করা হয় কক্সবাজার সৈকতে। আয়োজন করা হতো লাইভ কনসার্টসহ বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে ডিজেশো। অনুষ্ঠান উপভোগ করার জন্য প্রতি বছর এখানে সামিল হতো দেশি-বিদেশি কয়েক লাখ পর্যটক। কিন্তু এবছর এই আনন্দ আর উচ্ছ্বাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছে পর্যটকরা। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলী হোসেন জানিয়েছেন, পর্যটন বর্ষ ২০১৬ উপলক্ষে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বীচ কার্ণিভালের আয়োজন করা হয়েছে। যা ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। কিন্তু নিরাপত্তাজনিত কারণে সৈকতের সকল অনুষ্ঠান সন্ধ্যার আগেই শেষ করতে হবে। সন্ধ্যার পর থেকে সৈকতে কোন প্রকার অনুষ্ঠান করা যাবে না। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কক্সবাজারের অন্যান্য স্থানের অনুষ্ঠানগুলোও সন্ধ্যার আগেই শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এদিকে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত পর্যটন বর্ষ ২০১৬ সালকে সামনে রেখে সমুদ্র সৈকতে ৩১ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন দিনের এই মেগা বীচ কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হবে। পালিত হবে ‘পর্যটনের কক্সবাজার’ ৬০ বছর পূর্তি। পর্যটন মন্ত্রনালয়, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি যৌথভাবে আয়োজন করছে এই কার্নিভালের। কিন্তু শুরুতে এই বীচ কার্ণিভাল নিয়ে হ-য-ব-র-ল অবস্থা বিরাজ করছে। এ কার্ণিভাল সফল করার লক্ষ্যে সরকারিভাবে ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।  বিভিন্ন কোম্পানি থেকে স্পন্সর নিয়ে আরও ৫ কোটি টাকা জোগাড় করেছে তারা। সব মিলিয়ে প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয় করার কথা থাকলেও কার্ণিভালের নামে অর্থ নিয়ে চলছে লুটপাট। দৃশ্যমান কোন কিছুই নেই এখানে। প্রচার প্রচারণায় পিছিয়ে পড়েছে। বীচ কার্নিভালের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি গ্রে এডভেটাইজিং বাংলাদেশ লিমিটেড। তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে গত ২৩ ডিসেম্বর কক্সবাজার জেলা প্রশাসক অনুষ্ঠিত সভায় বীচ কার্ণিভালের কার্যক্রম নিয়ে চরম ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন বীচ ম্যানেজম্যান্ট কমিটির সদস্যরা। ওই সভায় বক্তারা বলেন, বীচ কার্ণিভালের নামে সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ অর্থ লোপাটের আয়োজন মাত্র। তাৎক্ষনিক আয়োজনের কর্মকাণ্ড দেখভাল করার জন্য একটি উপ-কমিটি গঠন করে দেন জেলা প্রশাসক মোঃ আলী

মতামত...