,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

কণিকের সন্ধান চেয়ে থানায় জিডি

jangi sabbirনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজঃ ঢাকার কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানায় পুলিশের অভিযানে নিহত নয় জঙ্গির মধ্যে সন্দেহভাজন চট্টগ্রামের সাব্বিরের মিল না পাওয়ায় নিখোঁজ ছেলে সাব্বিরুল হক কণিকের সন্ধান চেয়ে থানায় জিডি (সাধারণ ডায়েরি) করেছেন আনোয়ারা বরুমছড়া ইউনিয়নের সাবেক আওয়ামীলীগ সভাপতি আজিজুল হক রাশেদ।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১১টার দিকে নগরীর বাকলিয়া থানায় এই জিডি করেন বলে বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল মনসুর বিডিনিউজ রিভিউজকে নিশ্চিত করেছেন। জিডিতে চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টার দিকে রাউজানের একটি বিয়েতে যাবার কথা বলে বের হয়ে এরপর থেকে নিখোঁজ বলে উল্লেখ করেন।

গত ২৬ জুলাই রাজধানীর কল্যাণপুরে পুলিশের অভিযানে নিহত নয় জঙ্গির একজন সাব্বির বলে গুজব ছড়িয়ে পরে।ডিএমপির অনলাইন পোর্টালে ছবি দেখে সেটা সাব্বির কিনা নিশ্চিত হতে না পেরে পুলিশেল পরামর্শে ঢাকায় গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করার সিদ্ধান্ত নেন বাবা আজিজুল হক। কিন্তু মরদেহ দেখে নিশ্চিত হলেন যে এটা তার সেই নিখোঁজ ছেলে সাব্বির নয়। পরে ঢাকা থেকে ফিরে থানায় জিডি করেন।

অবশ্য আজিজুল হক ঢাকা যাওয়ার আগে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনাকে জানিয়ে যান যে নিহত সেই জঙ্গি যদি সাব্বির হয় তাহলে তার লাশ গ্রহণ করবেন না।নিজে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এসে সাংবাদিকদের ডেকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইবেন।

২০১৩ সালের মাঝামাঝিতে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয় সাব্বির।সাব্বিরের কথা-বার্তা,আচার-আচরণে কিছু পরিবর্তন আসে।সে যখন তার আত্মীয় স্বজনের সাথে ধর্ম নিয়ে কথা-বার্তা বলতো তখন তাঁদের ইবাদত হচ্ছে না বলে তর্কে জড়াত।তার আত্মীয় স্বজনকে গালাগালি করতো যে তাদের কাজগুলো অনৈতিক ও অনৈসলামিক।

তাবলীগের কথা বলে সে মাঝে মাঝে ১০-১২ দিনের জন্য উধাও হয়ে যেত।গোসলে সাবান ব্যবহার করতো না।নিজে জবাই না করলে কোন মাংস সে খেত না।বাবা মাজার ভক্ত ছিল বলে সে মাঝে মাঝে বাবার সাথে ঝগড়া করতো।২০১৩ সাাল থেকে তার পরিবার এই পরিবর্তন গুলো দেখছে।২০১৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি হঠাৎ সে উধাও হয়ে যায়।

আজিজুর হক বর্তমানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব সার্কেল ৭ এর টেক্স কালেক্টর হিসাবে কর্মরত আছেন।সে আনোয়ারা বরুমছড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি।

 

মতামত...