,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

লাশ নেবে না কনিকের বাবা জঙ্গি হলে জাতির কাছে ক্ষমা চাইবে

jangi sabbirনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজঃ রাজধানীর কল্যাণপুরে নিহত ৯ জঙ্গির মধ্যে চট্টগ্রামের সাব্বিরুল হক কনিক আছে কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত নয় তার বাবা আজিজুল হক।

বুধবার সকালে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি দেখে ছেলের নিহতের ব্যাপারে প্রাথমিকভাবে ‘নিশ্চিত’ হলেও পরে তা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা।

পুলিশ সুপার জানান, নিহতদের মধ্যে সাব্বিরুল আছে কিনা তা নিয়ে আজিজুল হকে মধ্যে সংশয় দেখা দিয়েছে। সকালে গণমাধ্যমের প্রকাশিত ছবি দেখে তিনি ছেলের পরিচয় নিশ্চিত করলেও পরে পুলশ কার্যালয়ে বড় ছবি দেখে তার মধ্যে সংশয় তৈরি হয়।

সাব্বিরুলের সঙ্গে ছবির ওই যুবকের মুখ ও চুলে অমিল খুঁজে পান চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা আজিজুল।

চট্টগ্রামের আনোয়ারার বরুলছড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক এই সভাপতি বলেছেন, ‘আমাদের পুরো ফ্যামিলি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। ছবিটি যদি সাব্বিরুলের হয়, তবে লাশ আনতে যাব না। গণমাধ্যম ডেকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইব।’

পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা বলেন, ‘আমরা তাকে (সাব্বিরুলের বাবা) ছবি দেখিয়েছি। তিনি আমাদের জানিয়েছেন, তার ছেলে নিখোঁজ। রাউজানে এক বিয়েতে যাওয়ার কথা বলে সে বের হয়। এরপর থেকে তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ নেই।’

‘আজিজুল হক গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি দেখে সকালে তার ছেলে সাব্বিরুলকে সনাক্ত করলেও পরে পুলিশ কার্যালয়ে বড় পর্দায় ছবিগুলো দেখে তার ছেলে নিহত হওয়ার ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করেন’- বলেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার।

এ পরিস্থিতিতে আজিজুল হককে ঢাকায় গিয়ে লাশ দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে  জানান পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা।

এরআগে সকালে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) একে এম ইমরান ভূঁইয়া জানিয়েছিলেন, কল্যাণপুরে নিহতদের একজন সাব্বিরুল হক কনিক (২২)। তিনি চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের কুমিরা ক্যাম্পাসে আন্তর্জাতিক ইসালামিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি দেখে সাব্বিরুলের বাবা সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা আজিজুল হক প্রাথমিকভাবে তার ছেলেকে সনাক্ত করেন বলেও জানান তিনি।

পুলিশ জানায়, কল্যাণপুরের ৫ নম্বর সড়কের গার্লস হাই স্কুলের পাশে তাজ মঞ্জিল নামের ছয় তলা ভবন ‘জাহাজ বিল্ডিং’ এর পঞ্চম তলায় জঙ্গিরা আস্তানা গেড়েছিল।

ওই ভবনে গেপান সংবাদে সোমবার মধ্যরাতের পর পুলিশ ও র্যাতবের প্রাথমিক অভিযান শুরু হয়। পরে সোয়াট বাহিনীর নেতৃত্বে ‘অপারেশন স্টর্ম-২৬’ নামে মূল অভিযান চলে ভোর ৫টা ৫১ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা।

অভিযানের পর মঙ্গলবার ভোরে ঘটনাস্থল থেকে ৯ জনের লাশ উদ্ধার হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির মধ্যে রাকিবুল হাসান নামে এক জঙ্গি আহত হয়।

পরে বিকেলে অভিযানে নিহত ৯ জনের ছবি প্রকাশ করে তাদের পরিচয় জানতে চায় ঢাকা মহানগর পুলিশ।

মতামত...