,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী সাক্কু বিজয়ী

কুমিল্লা সংবাদদাতা,৩০ মার্চ, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ধানের শীষ নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু। তিনি ১০ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হলেন। কুসিকের ১০৩ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১০১টি কেন্দ্রে ৬৮ হাজার ৭৯৫ ভোট পেয়েছেন সাক্কু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা পেয়েছেন ৫৮ হাজার ২৬১ ভোট।

আজ বৃহস্পতিবার রাতে নির্বাচন কমিশনের কন্ট্রোলরুম থেকে এই তথ্য জানা গেছে। এর আগে আজ বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন। ১০৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১০১টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। আর অবশিষ্ট দুটি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।

গত ২০১২ সালের নির্বাচনে মনিরুল হক সাক্কু কুমিল্লার প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা আফজল খানতে প্রায় ৩৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন। এবার তিনি আফজল খানের মেয়ে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমাকে পরাজিত করলেন প্রায় সাড়ে ১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে। কুমিল্লায় মোট ভোটকেন্দ্র ১০৩টি। গোলযোগের কারণে দুটি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। সেই দুটি কেন্দ্রে মোট ভোট ৫ হাজারের একটু বেশি।

তার আগে আজ বিকাল ৪ টায় ভোটগ্রহণ শেষেই শুরু হয় গণনা। শহরের আশেপাশের কেন্দ্রগুলো থেকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল নিয়ে আসেন সেখানে। রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।

ভোট চলাকালে বড়ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলেও বিক্ষিপ্ত অনিয়ম, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও অভিযোগের বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় দুটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।

তবে ভোটগ্রহণ ছিল স্বতস্ফূর্ত। সাড়ে ৬ ঘণ্টায় ৬০ ভাগের বেশি ভোট পড়েছে। পুরো সময়ে ৮০ ভাগের কাছাকাছি ভোট পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে কোনো নির্বাচনে এত অধিক হারে ভোট পড়েনি। ভোটের আগের দিন কুমিল্লায় একটি জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ওই আস্তানাটি এখনো ঘিরে রেখেছে তারা। তবে এর কোনো প্রভাব আশপাশের এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোতে পড়েনি।

প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে। সকাল ৮টা থেকে ১০৩ কেন্দ্রে ভোট শুরু হয়। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর একটি কেন্দ্রে এবং জাল ভোট দেয়ার চেষ্টার অভিযোগে আরও একটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করেছেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা। এর বাইরে আরও ৩ থেকে ৫টি কেন্দ্রে সাময়িক উত্তেজনার খবর দিয়েছিলেন আমাদের প্রতিবেদকরা।

মতামত...