,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

ক্লিন সিটি মিশনে ৬ বিশ্ববিদ্যালয়সহ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা

cleanনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ চট্টগ্রাম , ক্লিন সিটি মিশনে পথশিশু থেকে শুরু করে কোটিপতি, সবাই নামলেন রাস্তায়, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পরিষ্কার করলেন নগরী। স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন রিপেয়ার বাংলাদেশের ব্যানারে  শুক্রবার ক্লিন সিটি মিশনে নেমেছিলেন ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও। ঝাড়ু হাতে তারা রাস্তায় নামেন। ধুলোবালি আর দুর্গন্ধ উপেক্ষা করে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের সচেতন করেন।

নগরীর আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল এলাকা থেকে শুরু করেন মিশন। অভিযানে নেতৃত্ব দেন রিপেয়ার বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও চট্টগ্রামের অতিরিক্ত কর কমিশনার মো. বজলুল কবির ভূঁইয়া।

বজলুল কবির ভূঁইয়া বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে বলেন, আমরা লক্ষ করেছি সিডিএ আবাসিক এলাকার অলি-গলি, নালা-নর্দমায় প্রচুর আবর্জনা জমে আছে। এর ফলে পরিবেশ দূষণ যেমন ঘটছে, তেমনি রোগব্যাধিও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই আমরা প্রথমে দুই হাজার প্রচারপত্র ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছি, যাতে বাসিন্দারা সচেতন হন, ময়লা-আবর্জনা যত্রতত্র না ফেলেন। অভিযান চলাকালে আমরা যেসব বাড়ির আঙিনা, আশপাশ এবং দোকানের সামনে ময়লা দেখেছি, সেগুলো পরিষ্কার করে দিয়েছি। একই সঙ্গে তাদের বলেছি,তিন মাস পর আমরা আবার এসে দেখব। তখন যদি অপরিষ্কার-নোংরা পরিবেশ দেখা যায় ম্যাজিস্ট্রেটকে বলে জরিমানা, কারাদণ্ড ইত্যাদি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়, পোর্ট সিটি ইউনিভার্সিটি, বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি সিটি কলেজ, মোস্তফা হাকিম ডিগ্রি কলেজ, আগ্রাবাদ মহিলা কলেজ, কলকাকলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীসহ আড়াই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন। পথশিশু থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী, কোটিপতি, সরকারি চাকুরে সবাই একসাথে কাজ করেছেন। প্রখর রোদ, লজ্জা কিছুই বাধা হতে পারেনি। টনে টনে বর্জ্য জড়ো করলেন, স্তূপ করলেন তারা।

বজলুল কবির বলেন, স্বেচ্ছাসেবীদের বাইরে আমরা ৩০ জন দিনমজুরকে কাজে লাগিয়েছি। তারা যেখানে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা যেতে পারেন না, সেখানে গিয়ে আবর্জনা সংগ্রহ করে স্তূপ করে রাখছে। এরপর রাতে সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্যবাহী ট্রাক এসে সেগুলো নিয়ে যাবে।

তিনি বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে জানান, পলিথিন-প্লাস্টিক জাতীয় বর্জ্যই বেশি পাওয়া গেছে। এগুলো অপচনশীল হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে পরিবেশের। পলিথিনের কারণে নালা-নর্দমার স্বাভাবিক প্রবাহে বিঘ্ন ঘটছে। এর বাইরে পাওয়া গেছে ইটের টুকরা, পরিত্যক্ত কাপড়, ডাবের খোসা, গৃহস্থালি বর্জ্য, কাচের বোতল ও ভবন নির্মাণকাজের বর্জ্য।

অভিযানে অংশ নেন পেডরোলো গ্রুপের চেয়ারম্যান নাদের খান, স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এইচএম সোহেল, সালেহ স্টিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনামুল হক ইকবাল, অতিরিক্ত কর কমিশনার সৈয়দ মো. আবু দাউদ, প্রকৌশলী সাইফুর রহমান ও যুগ্ম সচিব মাহবুব কবির।

 

বি এন আর/০০১৬০০৩০০৫/০০০৭০/পি

মতামত...