,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

খ্রীষ্ট সম্প্রদায়ের শুভ বড় দিন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম::আলো ঝলমলে গির্জার চূড়াটি। দূর থেকে নজর কাড়ছে। গির্জায় প্রবেশ করতেই চোখ–ধাঁধানো আলোর রোশনাই। একটু এগিয়ে যেতেই চোখ চলে যায় আলোকময় খড়ের তৈরি গো–শালার দিকে। যিশু খ্রিস্ট্রের জন্মলাভের চিহ্ন হিসেবে যা বিশেষ মর্যাদা বহন করে ভক্তদের কাছে। পাশেই আলোকসজ্জিত ক্রিসমাস ট্রি। গির্জার ভেতরে সারবাঁধা গাছগুলোও সেজে উঠেছে রঙিন বাতিতে। কোনো কোনো সমাধিতে জ্বলছে প্রদীপ। আছে সাজিয়ে রাখা চেয়ার। তারও আগে মূল ফটেকের বাইরে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ক্রিসমাস ট্রি স্বাগত জানাচ্ছে আগত ভক্ত আর দর্শনার্থীদের। প্রার্থনার সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে বাড়ছে ভক্তদের আনাগোনা। শীত সন্ধ্যায় উষ্ণতা ছড়িয়েছে উৎসব আনন্দ। এভাবেই শুভ বড়দিনের পূর্ব সন্ধ্যাটা পূর্ব প্রস্তুতিতে উৎসবের রূপ ধারণ করে গির্জায়।

         আজ সোমবার শুভ বড়দিন। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। তবে গতকাল রবিবার থেকেই শুরু হয়েছে আনুষ্ঠানিকতা। এমনটাই জানান সেখানকার পাল–পুরোহিত ফাদার টেরেন্স রড্রিক্স। তিনি জানান, আগামীকাল সৃষ্টিকর্তার ভালোবাসা তাঁর পুত্র যিশুকে পাঠিয়ে আমাদের মাঝে প্রকাশ করলেন যেন আমরা মানুষকে ভালোবাসতে পারি। ভালোবাসা এবং সেবা হলো যিশুর বাণী। সেজন্য বিশ্ববাসী আমরা একত্রিত হয়েছি বড়দিন পালনে। এর একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট রয়েছে, আমাদের খ্রীষ্ট ধর্মের প্রেক্ষাপট রয়েছে, ঐতিহ্য রয়েছে। যিশুর জন্মের পর তাঁর বাণীগুলো ১২ জনকে দিয়ে গেছেন। তাঁরা বিশ্বব্যাপী যিশুর ভালোবাসার কথা বিশ্ববাসীকে জানিয়েছেন। যিশু এশিয়ার মানুষ। চারটি ধর্মের উৎপত্তি এশিয়ায়। আজকের প্রেক্ষাপটে এই সহিষ্ণুতার চর্চা করা ভীষণ দরকার। গত মাসে পোপ এসে প্রমাণ করলেন যিশুর ভালোবাসা। বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের আলিঙ্গন করে দেখালেন আমরা মানুষকে ভালোবাসতে পারি। রাতে বাইবেল পাঠ হবে। আমি ব্যাখা দেব। আসলে নিজেকে করার দিনই হলো বড়দিন। নতুন বছরের ১ জানুযারি পর্যন্ত চলবে আয়োজন।

রবিবার রাত সাড়ে ৯টায় ও রাত ১২টায় শুরু হবে প্রার্থনার আয়োজন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে আটটায় অনুষ্ঠিত হবে প্রার্থনা। আগামী ৩১ ডিসেম্বর রবিবার রাত আটটায় পবিত্র পরিবারের মহাপর্ব, ছোট প্রার্থনানুষ্ঠান ও খ্রীষ্টযোগ। আগামী ১ জানুয়ারি সকাল ৭টায় নববর্ষ বিশ্ব শান্তি দিবস ও ঈশ্বর জননী মারীয়ার মহাপর্ব।

মতামত...