,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

গণতন্ত্র,বাক স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনাতেই পৌর নির্বাচনে ২০দল

mizaআসন্ন পৌর নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে প্রচারণা চালাবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দল। আজ গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের মহাসচিব পর্যায়ের বৈঠক শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  মির্জা আলমগীরর সভাপতিত্বে মহাসচিব পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।কল্যাণপার্টির মহাসচিব এম আমিনুর রহমান  জানান,  বৈঠকে জামায়াতে ইসলাম ও ইসলামী ঐক্যজোটের কোন প্রতিনিধি অংশ নেননি । জামায়াত ও ইসলামী ঐক্যজোটের অংশ না নেয়ার বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা আলমগীর বলেন, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ নেজামীসহ দলটির নেতারা দলীয় কাজে ময়মনসিংহ সফরে থাকায় আর  জামায়াত নেতারা ঢাকার বাইরে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত থাকায় বৈঠকে যোগ দেননি। তারা বৈঠকে যোগ না দিলেও ২০ দলীয় জোট ভাঙার কোন সম্ভাবনা নেই বলে জানান মির্জা ফখরুল । তিনি ব্লেন,সবই গুঞ্জন ছড়ানো হচ্ছে,  সব মিথ্যা। ব্রিফিংয়ে মির্জা আলমগীর বলেন, সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা প্রতিনিয়ত নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন। গতকালও নাটোরে এক মন্ত্রী সভা করে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড  তুলে ধরে বক্তব্য দিয়েছেন।  বিভিন্ন গণমাধ্যমেও মন্ত্রী-এমপিদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের নানা তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তাদের বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে না। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, মন্ত্রী-এমপিদের আচরণবিধি লঙ্ঘন ঠেকাতে নির্বাচন কমিশন ব্যর্থ। তাদের অযোগ্যতা ফুটে উঠেছে। এসময় পৌরসভা নির্বাচনে সরকার যেন হস্তক্ষেপ না করে সেই দাবি জানান। এছাড়া কমিশনকে পৌর নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য সব ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।  মির্জা আলমগীর বলেন, নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার এবং সরকারি দলের মন্ত্রী-এমপিদের প্রচারণা বন্ধের দাবিতে দু’একদিনের মধ্যেই বিএনপি  নেতৃত্বাধীন জোটের একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনে যাবে। বিরোধী প্রার্থীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ করে মির্জা আলমগীর বলেন,  বিভিন্ন জায়গায় বিরোধী প্রার্থীদের ওপর নির্যাতন করা হচ্ছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।  অবিলম্বে গ্রেপ্তার অভিযান  বন্ধের পাশাপাশি আটককৃতদের মুক্তির দাবি জানান। তিনি বলেন, দেশে এখন গণতন্ত্র অনুপস্থিত। এই অনুপস্থিত গণতন্ত্র, মানুষের ভোটের অধিকার, বাক স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা পৌর নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ৩০শে ডিসেম্বর জনগণ গণতন্ত্রের পক্ষে রায় দেবে। তিনি আরও বলেন, ২০ দলের বৈঠকে পৌর নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে প্রচারণা চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। জামায়াতের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চালাবে কিনা এ প্রশ্নের জবাবে মির্জা আলমগীর বলেন, স্থানীয়ভাবে কিছু কিছু বিষয়ে সমস্যা আছে। সেগুলোর সমাধান স্থানীয়ভাবেই করা হবে।  বাকি দিনগুলো আমরা জোটবদ্ধভাবে প্রচারণায় অংশ নেব। ২০ দলীয় জোটের মহাসচিব পর্যায়ের বৈঠকে জাতীয় পার্টির (জাফর) মহাসচিব  মোস্তফা জামাল হায়দার, এলডিপির মহাসচিব ড. রেদওয়ান আহমেদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমেদ আবদুল কাদের, জাগপার মহাসচিব খোন্দকার লুৎফর রহমান, ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা, মুসলিম লীগের মহাসচিব শেখ জুলফিকার বুলবুল, বিএলের মহাসচিব খোকন চন্দ্র দাস, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আমিনুর রহমান, সাম্যবাদী দলের মহাসচিব সাঈদ আহমেদ, লেবার পার্টির মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদি, জমিয়তের মহাসচিব মওলানা মহিউদ্দিন একরাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

মতামত...