,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

গুলশানে হামলার মাস্টারমাইন্ড মারজানই ‘চট্টগ্রামে জুড়ে ‘টক অবদি টাউন’

marganচবি সংবাদদাতা, বিডিনিউজ রিভিউজঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থী গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলার সন্দেহভাজন মাস্টারমাইন্ড মারজান ।   এমন খবরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে চবির ক্যাম্পাস গোটা চট্টগ্রামে জুড়ে। গুলশানে হামলার মাস্টারমাইন্ড মারজানই ‘চট্টগ্রামে জুড়ে ‘টক অবদি টাউনে পরিণত হয়েছে।

a.

মারজানের মা বাবা ও তার ভাই বোন

সোমবার রাতে তার পরিবারের বরাত দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় তার পুরো পরিচয়। সেখানে বলা হয়, মারজান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টির বিস্তারিত জানতে এরই মধ্যে উদ্যোগও নিয়েছে।

 এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে মারজানের বিষয়ে কোনো তথ্য জানতে চাওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।

গুলশান ও শোলাকিয়ায় হামলার পর জঙ্গিসংশ্লিষ্টতা নিয়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে উঠে আসে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নাম। দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো গত ১৪ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী নিখোঁজ আছে কি না এবং নিখোঁজ থাকলে তাদের তালিকা চেয়ে চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীকে চিঠি দেন স্থানীয় হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)। এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে নিখোঁজ ও দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের তালিকা চেয়ে ১৫ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে চিঠি দেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. কামরুল হুদা। এই চিঠিতে ২১ জুলাইয়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষের নিকট তালিকা জমা দিতে বলা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের ‘নিখোঁজ’ ছয় শিক্ষার্থীর তালিকা গত ৪ আগস্ট স্থানীয় হাটহাজারী থানায় হস্তান্তর করে। পরে ওই ছয় শিক্ষার্থীর খোঁজও মেলে। কিন্তু ওই ছয়জনের তালিকায় নুরুল ইসলাম মারজানের নাম ছিল নাবলে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সভাপতি ড. মোহাম্মদ ইসমাইল চৌধুরীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি।

 চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী সোমবার রাতে সাংবাদিকদের জানান, ‘গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে মারজানের বিষয়ে জেনে মঙ্গলবার সকালেই আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েই এ বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নেব।’

সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরবি বিভাগের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা ও পাশাপাশি মারজান নামের কোনো শিক্ষার্থী ওই বিভাগে আছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. কামরুল হুদা ও প্রক্টর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরীও জানান, মঙ্গলবার এ বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নেওয়া হবে ।

 

মতামত...