,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

গুলশান হত্যাকাণ্ডের খুনিদের প্রশিক্ষণ পাকিস্তানে অস্ত্র থাইল্যান্ডের

aআন্তর্জাতিক ডেস্ক, বিডিনিউজ রিভিউজঃ গুলশান হত্যাকাণ্ডের খুনিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় পাকিস্তানের বেলুচিস্থানে। আর তাদের অস্ত্র আসে থাইল্যান্ড থেকে।

প্রশিক্ষণ শেষে ঘাতকদেরকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। ভারতের প্রভাবশালী পত্রিকা আনন্দবাজার বাংলাদেশ সরকারের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়াও খুনি জঙ্গিদের হাতে ছিল উচ্চ ক্ষমতার স্যাটেলাইট ফোন। তাই হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার পর ওই এলাকার মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দিয়েও সন্ত্রাসীদেরকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা যায়নি। তারা সেখান থেকে দেশ-বিদেশের বিভন্ন জায়গায় কথা বলেছেন।

অন্যদিকে জঙ্গিরা তাদের মোবাইল ফোনে তথ্য আড়ালে সক্ষম থ্রিমা অ্যাপ ব্যবহার করেছে। এই অ্যাপ ব্যবহার করে ফোনে কথা বললে, কোনো ম্যাসেজ পাঠালে তার কোনো রেকর্ড থাকে না। সব রেকর্ড আপনাআপনি মুছে যায়। তাই সেনা অভিযানে নিহত জঙ্গিদের মোবাইল ও স্যাটেলাইট ফোনগুলো উদ্ধার করা গেলেও সেগুলো ঘটনার ক্লু বের করতে তেমন সহায়ক হচ্ছে না। জানা যাচ্ছে না বিদেশিদের হত্যা করার পর জঙ্গিরা বাংলা ভাষায় কাকে খবরটি দিয়েছিল, এসএমএসের মাধ্যমে কারো সঙ্গে তারা যোগাযোগ রেখেছিল কি-না, কোন অ্যাকাউন্ট থেকে হত্যাযজ্ঞের ছবি আপলোড করেছিল।

আনন্দবাজার পত্রিকার ভাষ্য অনুসারে, বিদেশিদের পণবন্দি করে যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত জামাত নেতা মীর কাশেম আলিকে মুক্ত করা ছিল অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। এছাড়া সেনাদের বিদ্রোহে উস্কানি দেওয়ারও উদ্দেশ্য ছিল তাদের। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এ বিষয়ে বলেছেন, ধনকুবের মীর কাশেমকে মুক্ত করাটা লক্ষ্য হয়ে থাকতে পারে। যুদ্ধাপরাধীদের মধ্যে একমাত্র তাঁর ফাঁসিই এখন পর্যন্ত কার্যকর হওয়ার বাকি আছে। এই ফাঁসি আটকাতে নানা রকম চক্রান্ত চলছে। গোয়েন্দারা মনে করছেন, সাম্প্রতিক জঙ্গি তৎপরতাও তার অঙ্গ হতে পারে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একাধিকবার বলেছেন, গুলশান হামলার পেছনে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর হাত আছে। তাদের তত্ত্বাধানেই হয়েছে এই হামলা।

  • আনন্দবাজারের প্রতিবেদন।

মতামত...