,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামকে গ্রিন ও ক্লিন সিটি রূপান্তরে ডোর টু ডোর বর্জ্য সংগ্রহের ঝুঁকি নিচ্ছিঃ মেয়র

azm nasir ( hasi)নিজস্ব প্রতিবেদক,বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ চট্টগ্রামকে গ্রিন ও ক্লিন সিটির লক্ষ্যে ডোর টু ডোর বর্জ্য সংগ্রহের ঝুঁকি নিচ্ছি মন্তব্য করে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে ৪১  ওয়ার্ডে শতভাগ ডোর টু ডোর বর্জ্য সংগ্রহ করবেন  ।
মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) রাতে নগরীর হোটেল আগ্রাবাদের ইছামতী হলে চট্টগ্রামকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরীতে পরিণত করার লক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি জানান, নগরীর প্রতিটি ঘরে দুটি করে মোট ২০ লাখ বিন দেওয়া হবে। একটি বিনে পচনশীল, আরেকটি বিনে অপচনশীল বর্জ্য সংরক্ষণ করা হবে। দুই হাজার রিকশাভ্যান ঘর থেকে বর্জ্য নিয়ে যাবে। উন্মুক্ত ডাস্টবিন পর্যায়ক্রমে তুলে ফেলা হবে।
করপোরেট হাউসগুলোর সিএসআর তহবিলের সহযোগিতা চেয়ে মেয়র বলেন, বিলবোর্ড উচ্ছেদের মতো গ্রিন ও ক্লিন সিটির লক্ষ্যে ডোর টু ডোর বর্জ্য সংগ্রহের ঝুঁকি নিচ্ছি। দুই হাজার ভ্যানচালককে ১০ হাজার টাকা করে বেতন, বোনাস দিলে বছরে ২৮ কোটি ৪০  লাখ টাকা দিতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছ থেকে নগদ অর্থ বা চেক নেওয়া হবে না। শুধু নির্দিষ্ট ডিজাইনের বিন ও ভ্যান নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, নয় মাসে আমি চুল পরিমাণও দায়িত্বে অবহেলা করেছি বলতে পারবে না।  ঈদের পর হকারদের আর ফুটপাতে বসতে দেবো না। আগামী অর্থবছর থেকে পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে নগরীর রাস্তাঘাট শতভাগ পাকা করা হবে। অালোকিত নগরীতে পরিণত করা হবে।
মেয়র বলেন, রাতে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম ছিল মন্দের ভালো। আমি চট্টগ্রামকে সুন্দর, পরিকল্পিত, পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বিশ্বমানের শহর হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা চাই।
মেয়রের একান্ত সচিব মনজুরুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় এ আলোচনায় অংশ নেন চিটাগাং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার মো. শাহাবউদ্দিন, বিজিএমই’ র প্রথম সহসভাপতি মঈনুদ্দিন আহমদ মিন্টু, চেম্বারের পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একেএম আকতার হোসেন, জিপিএইচ ইস্পাতের মিডিয়া অ্যাডভাইজার ওসমান গনি চৌধুরী, জনতা ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক আবু নাসের চৌধুরী প্রমুখ। ধন্যবাদ বক্তব্য দেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সফিউল আলম।

মতামত...