,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামের অবৈধ স্বর্ণকারবারি,হুন্ডি ব্যবসায়ীরা ধরাঁ ছোঁয়ার বাইরে

goldরাউজান সংবাদ দাতাঃ  চট্টগ্রাম শহরের রেয়াজউদ্দিন বাজারের র্স্বণ চোলাচালানের গডফাদার ফটিকছড়ির আবুর কয়েকজন সহযোগী, রাউজানের বাসিন্দা স্বর্ণ চোরাচালানের সাথে জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মগদাই এলাকার আজগর, রহিম, মমতাজ ও আলমগীর গডফাদার আবুর সাথে সোনা চোরাচালান ও হুন্ডি ব্যবসা করে আসছে। উক্ত আবু মগদাই এলাকার স্বর্ণ চোরাচালানের সাথে জড়িত আজগরের বাড়িতে আসা-যাওয়া করতো। এ বাড়িতে বসেই রহিম, মমতাজ, আলমগীরকে নিয়ে র্স্বণ চোরাচালানের হিসেব-নিকেশ করতো বলে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রবাসী জানান।
প্রবাসী হারুন জানান, চোরাচালান সিন্ডিকেটের সদস্যরা মধ্যপ্রাচ্য থেকে স্বর্ণ ছাড়াও হুন্ডির মাধ্যমে রাউজানের প্রবাসীদের আয়ের টাকা দেশে তাদের স্বজনের কাছে পাঠায়। মগদাই এলাকার আজগর, রহিম, মমতাজ, আলমগীর ছাড়াও এই ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে শীর্ষ সন্ত্রাসী ফজল হক। উক্ত সন্ত্রাসী সৌদি আরবে আত্মগোপনে থেকে দুবাই, ওমান প্রবাসীদের আয়ের টাকা হুন্ডির মাধ্যমে দেশে পাঠাচ্ছে বলে জানা গেছে। ফজল হক স্বর্ণ চোলাচালানের সাথেও জড়িত বলে একধিক সূত্র জানায়। রাউজানের অর্ধলক্ষ প্রবাসী সৌদি আরব, কাতার, দুবাই, কুয়েত, বাহরাইন, ওমানে কর্মরত। এসব প্রবাসীর আয়ের টাকা দেশে তাদের স্বজনদের কাছে প্রেরণ করা হয় হুন্ডির মাধ্যমে।
জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের হুন্ডি ব্যবসায়ীরা প্রবাসীআয়ের টাকায় স্বর্ণবার ক্রয় করে তারপর যেসব প্রবাসী দেশে আসতে চায়, তাদের প্রলোভনে ফেলে বিমানের টিকিট ও নগদ টাকা ঘুস দিয়ে ল্যাগেজে র্স্বণবারগুলো বিশেষ কায়দায় ঢুকিয়ে দেয়। দেশে তাদের সিন্ডিকেটের সদস্যরা বিমান বন্দর থেকে প্রবাসীর ল্যাগেজ নিজেদের জিম্মায় নেয়। পরে চট্টগ্রাম নগরীর আস্তানায় ল্যাগেজ খুলে স্বর্ণবার নিয়ে ল্যাগেজ ফেরত দেয়া হয় বলে একধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
অপর দিকে রাউজানের অর্ধলক্ষ প্রবাসীর সিংহভাগই হুন্ডির মাধ্যমে তাদের টাকা স্বজনদের কাছে প্রেরণ করায় সরকার রেমিট্যান্স বাবদ হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকা। র্স্বণ চোরাচালান সিন্ডিকেটের গডফাদার আবু ও রাউজানের আজগর, রহিম, মমতাজ, আলমগীর ছাড়াও একই এলাকার রাশেদ, এমদাদ, নাসের, ইকবাল, বদি, কাগতিয়ার সোহেলও স্বর্ণ চোলাচালানের সাথে জড়িত রয়েছে। এদের মধ্যে রাশেদ, এমদাদ, নাসের, ইকবাল, বদি, সোহেল স্বর্ণবারসহ একধিকবার বিমান বন্দরে ধরা পড়ে জেল হাজতেও ছিল বলে একাধিক সূত্র জানায়। সন্ত্রাসী ফজল হকের ভাই জানে আলম, ভাগ্নে বড়ঠাকুর পাড়া এলাকার সন্ত্রাসী জাহেদ রাউজান ও চট্টগ্রাম নগরীতে অবস’ান করে শীর্ষ সন্ত্রাসী ফজল হকের পক্ষে স্বর্ণ চোরাচালান ও হন্ডির ব্যবসা চালিয়ে আসছে।
সন্ত্রাসী ফজল হকের অবৈধ টাকায় রাউজানের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে কার ক্রয় করে দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে। প্রভাবশালী ব্যক্তিদেরকে টাকা ও কার ক্রয় করে দেয়ায় র্স্বণপাচার ও হুন্ডি ব্যবসায় ওই প্রভাবশালী ব্যক্তিরা গোপনে তাকে সহায়তা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নোয়াপাড়া, পাহাড়তলী, মগদাই, কাগতিয়া, আধার মানিক, বড়ঠাকুর পাড়া, সাহানগর, দলই নগর, সুলতানপুর এসব এলাকার শতাধিক প্রবাসী স্বর্ণপাচার ও হুন্ডি ব্যবসা করে আসছে।
এসব লোক মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করে  অবৈধভাবে স্বর্ণপাচার ও হুন্ডি ব্যবসা করে আসলেও এরা ধরাঁ ছোঁয়ার বাইরেই রয়ে গেছে।

মতামত...