,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামের আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার রমজানেই চালু হচ্ছে

ছবি- প্রতিকী- বিডিনিউজ রিভিউজ.কম

নিজস্ব প্রতিবেদক, ২৩মে,বিডিনিউজ রিভিউজ.কম::রমজানের শুরুতেই চালু হতে পারে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার ফ্লাইওভার। এটি আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভার নামে পরিচিত। এটি চালু করতে চলছে শেষ মুহূর্তের কাজ। ইতিমধ্যে ফ্লাইওভারের দুপ্রান্তে নামার অংশের ঢালাই শেষ হয়েছে। ফ্লাইওভারের উপরে বৈদ্যুতিক পোল বসানোর কাজ ও ডিভাইডার তৈরির কাজও প্রায় শেষ।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে চট্টগ্রামের মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত ৫.২ কিলোমিটার দীর্ঘ আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করে ভবিষ্যতে এই উড়াল সড়ককে বিমানবন্দর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার আশার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অবশ্য এর আগে জানানো হয়েছিল, নির্ধারিত সময়ের তিন মাস আগেই শেষ হচ্ছে মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার। র‌্যাম ও লুপ ছাড়াই আগামী এপ্রিলে চালু হচ্ছে ফ্লাইওভারটি। কিন্তু তা শেষ পর্যন্ত আর হয়ে উঠেনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, ফ্লাইওভারের উপরে দুটি স্প্যানের মধ্যবর্তী জয়েন্ট স্থাপনের কাজ চলছে। এছাড়া ফ্লাইওভারের উপরে রেলিং নির্মাণ, বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ বিভিন্ন ধরনের টুকিটাকি কাজ চলছে। উপরের অংশের এসব কাজ ছাড়া ফ্লাইওভারের নিচে রাস্তার চওড়া বাড়াতে মুরাদপুর থেকে বহদ্দারহাট পর্যন্ত অংশে কাজ চলছে, একইসাথে যেসব অংশে নিচে চওড়া কম রয়েছে সেসব অংশে নালাকে সরিয়ে রাস্তা চওড়ার কাজ চলছে। লালখানবাজার জমিয়তুল ফালাহ মসজিদের গেইটের বিপরীত পাশে নতুন একটি নালা নির্মাণ করে আগের নালাটি ভরাট করে রাস্তা নির্মাণের কাজ করছে সিডিএ। একইভাবে মুরাদপুর অংশেও নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।

প্রকল্পটির পরিচালক ও সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘ফ্লাইওভারের মূল অংশের কাজ প্রায় শেষ। আগামী কিছুদিনের মধ্যে শেষ করে রমজানের প্রথম সপ্তাহে হয়তো চালু করে দিতে পারি।’

তিনি বলেন, মূল ফ্লাইওভারের অংশ চালু করে দেয়ার পর আমরা র‌্যাম ও লুপের কাজ শুরু করবো। তবে ইতিমধ্যে ষোলশহর দুনম্বর গেট এলাকায় লুপের কাজ চলছে।

উল্লেখ্য, ৪৫৭ কোটি টাকায় মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত ৫ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ৫৪ ফুট চওড়া ফ্লাইওভারটি মুরাদপুর এন মোহাম্মদ কনভেনশন সেন্টারের সামনে থেকে উঠে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদের পশ্চিম গেটের সামনে এসে নামবে। ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজ করছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স-রেনিকিন জেবি।

মতামত...