,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলা ডাকাতি ও ধর্ষকদের গ্রেপ্তারের দাবীতে মানববন্ধন

কর্ণফুলী সংবাদদাতা, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার বড় উঠান ইউনিয়নের শাহমীরপুর গ্রামে ডাকাতি ও ৪ নারী ধর্ষণের ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকাল ১১ থেকে ১টা পর্যন্ত পটিয়া আনোয়ারা-বাঁশখালী সড়কের শাহমীরপুর এলাকায় ধর্ষকদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করে। এতে এলাকাবাসীরা এক সপ্তাহের মধ্যে ধর্ষণকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানায় এবং কর্ণফুলী থানা ওসির আসামি গ্রেপ্তার ও ডাকাতি করা মালামাল উদ্ধার কাজে গাফিলতির অভিযোগ দাবি করেন এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামি সুমন প্রকাশ আবুকে ভিকটিম কর্তৃক চিহ্নিত করার পরও তাকে

রিমান্ডে না এনে কর্ণফুলী থানার ওসি মামলাকে অন্যভাবে সাজানোর চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানানো হয়। তারা মামলার তদন্তের জন্য র‌্যাব কিংবা সিআইডির হাতে হস্তান্তর করারও দাবি জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কর্ণফুলী উপজেলা চেয়ারম্যান জেলা আ.লীগ নেতা ফারুক চৌধুরী, বড় উঠান ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল আলম, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বানাজা বেগম, কর্ণফুলী থানা মহিলা আ.লীগের সভাপতি নারী নেত্রী মোমেনা আকতার নয়ন, ইউপি সদস্য হারুনুর রশিদ তালুকদার, সাইফুদ্দিন আহমদ, চেমন আরা বেগম, মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন, বড় উঠান ইউনিয়ন আ.লীগ সেক্রেটারি আবদুল মান্নান খান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. শহীদুল্লাহ, সাবেক মেম্বার নাজমুন নাহার, জেসি আকতার সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর বড়উঠান ইউপি শাহমীরপুর এলাকায় গভীর রাতে ওই প্রবাসীর ঘরে ডাকাতদল প্রবেশ করে ১১ ভরি স্বর্ণ, নগদ ৫০ হাজার টাকা, ৪টি মোবাইল ফোনসহ মালামাল লুট করে নেয়। ডাকাতিশেষে পরিবারের তিন গৃহবধূসহ চার নারীকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনার খবর পেয়ে বিদেশ থাকা পরিবারের বড়কর্তা বাংলাদেশে চলে আসে।

বিদেশ থেকে আসা বড় ভাই ওবাইদুল জানান, এ মামলা নিতে কর্ণফুলী থানার ওসি ১ম থেকেই এই মামলাটি নিতে গড়িমসি করছে। ৪ দিন পর মন্ত্রী ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে মামলা নিতে বাধ্য হয়। কিন্তু আসামি সনাক্ত করার পরও আসামিকে রিমান্ডে না এনে পুলিশ তালবাহানা করছে।

বড়উঠান ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যে ধৃত আবুকে ভিকটিম কর্তৃক থানায় সনাক্ত করা হয়েছে। তারপরও পুলিশ তাকে রিমান্ডে না এনে তার কাছ থেকে কোন তথ্য না নিয়ে এবং মালামাল উদ্ধার না করে তদন্ত কাজে গাফিলতি করছে। তারা মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রকৃত আসামি আবুকে সনাক্ত করার পরও জেল খানায় টি এ প্যারেড এর মাধ্যমে আসামি শনাক্ত করার জন্য থানার পক্ষে বলা হচ্ছে। এতে করে জেলা খানায় অনেক আসামির মধ্যে প্রকৃত আসামিকে চিহ্নিত করাও সম্ভব হবে না। ফলে প্রকৃত আসামি খালাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আসামিকে রিমান্ডে আনলে প্রকৃত তথ্য বের হবে বলে তিনি দাবি করেন।

কর্ণফুলী থানার ওসি সৈয়দুল মোস্তাফা জানান, এ ঘটনায় ধৃত ৩ আসামির মধ্যে ২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদশেষে ছেড়ে দিয়েছে থানা পুলিশ। অপর আসামি মাহমুদ ফারুক (২৮)-কে এ মামলায় বুধবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ছেড়ে দেয়া দুই আসামিরা হচ্ছে মো. ইসমাইল প্রকাশ কালু ও মো. রোকন। এ ঘটনায় সন্দেহ জনকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তারা এ ঘটনায় জড়িত কোনো আলামত না পাওয়ায় তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয় বলে বলে কর্ণফুলী থানার ওসি ছৈয়দুল মোস্তাফা জানান। ইতিপূর্বে গ্রেপ্তারকৃত মো. সুমন প্রকাশ আবুকে গত রবিবার আদালতে প্রেরণ করলে তাকে বিচারক জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মতামত...