,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামের গণ্ডামারায় বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিরুদ্ধে সমাবেশ

aবাঁশখালী সংবাদ দাতা,বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ চট্টগ্রাম, বাঁশখালী উপজেলার গণ্ডামারা ইউনিয়নে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিলে গুলিতে ৪ জন নিহতের পর আজ আবারো বিক্ষোভ করছে গ্রামবাসী। ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে না, হবে না’ স্লোগানে প্রকম্পিত হচ্ছে গণ্ডামারার হাদীর পাড়া ও রহমানিয়া মাদরাসার মাঠ। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে আবারো কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিরুদ্ধে গণ্ডামারা হাদীর পাড়া ও রহমানিয়া মাদরাসা মাঠ এলাকায় সমবেত হতে শুরু করে এলাকাবাসী। সমাবেশ থেকে এস আলম গ্রুপের কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র বিরোধী নানা স্লোগান দিচ্ছেন তাঁরা।

‘বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে না, হবে না’, ‘আমার ভাই মরলো কেন প্রশাসন জবাব চাই’, ‘নাসিরের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান’ ‘ভিটে-বাড়ি ছাড়বো না, বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে না ’ স্লোগানে প্রকম্পিত হচ্ছে আশপাশের এলাকা। এতে অংশ নিয়েছেন হাজার হাজার গ্রামবাসী।

 সকালে ‘বসতভিটা ও কবরস্থান রক্ষা কমিটি’র আহবায়ক ও সাবেক চেয়ারম্যান লিয়াকত আলীর সভাপতিত্বে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘পরিকল্পিত ভাবে পুলিশ জনগনের উপর গুলি চালিয়ে চার গ্রামবাসীকে হত্যা করেছে। কিন্তু প্রয়োজন হলে জনগন আরো রক্ত দেবে, কিন্তু বিদ্যুৎকেন্দ্র হতে দেয়া হবে না। নিহতদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না।’

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের বাঁশখালীর উপজেলার গণ্ডামারার উপকূলীয় এলাকায় এস. আলম গ্রুপ ও চাইনা সেফকো কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিপক্ষে গত কয়েক মাস ধরে এলাকাসাীর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সেই কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে বাধা প্রদান করছে স্থানীয় জনতা। প্রকল্পের পক্ষে-বিপক্ষে দুইটি গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। একটি পক্ষ কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রতিরোধে মিছিল মিটিং, সভা, সমাবেশের মাধ্যমে জোর প্রতিবাদ চালাচ্ছে। ওই পক্ষের নেতৃত্বে আছেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা লিয়াকত আলী আর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষে আছেন স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল আলম মাষ্টার। এর আগেও গত ১৮ মার্চ এনিয়ে দু’পক্ষের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছিল। পরে সেখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষে নিয়ে পুলিশ বিদ্যুৎ ক্দ্রে বিরোধী মিছিলে গুলি চালিয়ে ছিল বলে অভিযোগ ।

 স্থানীয়রা আরো জানান, সোমবার বিকেলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে হাজী পাড়া স্কুল মাঠে সমাবেশের ডাক দেন প্রতিরোধ কমিটি। আর একই সময়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রের পক্ষে সমাবেশের ডাক দেন আওয়ামী লীগ নেতা শামসুল আলম। সেকারণে পুলিশ সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করে। তবে বিকেলে ১৪৪ ধারা ভেঙে সমাবেশ করতে গেলে প্রতিরোধ কমিটির সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষের লোকজনও সংঘর্ষে লিপ্ত হন।

বি এন আর/০০১৬/০০৪/০০৫/০০০৪৮১০/ এন

মতামত...