,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ৩ খনির সন্ধান লাভ, তেল ও গ্যাস উত্তোলন করবে বাপেক্স

abnr ad 1শাহ্ মুহাম্মদ শফিউল্লাহ ,বাঁশখালী সংবাদদাতা, বিডিনিউজ রিভিউজঃ সম্প্রতি বাঁশখালীর জঙ্গল জলদী পাহাড়ে তেল ও গ্যাস খনি থেকে গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপেরেশন এন্ড প্রোডাকশন কোম্পানী লিমিটেড (বাপেক্স)। বা

পেক্স সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের ২২এ-২২বি ব্লকের চারটি গ্যাস ক্ষেত্র যথাক্রমে বাঁশখালীর জলদী, পটিয়ার বুদবুদি ছড়া, সীতাকুন্ডের সীতাপাহাড় ও কাঁচালং থেকে গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এদিকে, জঙ্গল জলদীর দুর্গম পাহাড়ে অবস্থিত এই খনিটির তথ্য পেট্রো বাংলা ওয়েব সাইটে খুঁজে দেখা যায়- জলদী রেঞ্জে একই স্থানে ৩টি খনি রয়েছে। তথ্যানুসারে খনি গুলো মধ্যে জলদী (১) খনিটিতে সর্বশেষ তেল উত্তোলন হয়েছিল ১৯৬৪ সালের নভেম্বরের ২৩ থেকে শুরু করে ১৯৬৫ সালের মার্চের ১০ তারিখ উত্তোলন দেখানো হয়েছে। জলদী (২) খনিটিতে ১৯৬৫ সালের মে মাসের ১৯ তারিখ থেকে ১৯৬৬ সালের নভেম্বরের ২৭ তারিখ পর্যন্ত এবং অপর খনি জলদী (৩) খনিটিতে ১৯৬৮ সালের ফেব্রয়ারী মাসের ২৩ থেকে শুরু ১৯৭০ সালের মে মাসের ২৫ তারিখ পর্যন্ত তেল উত্তোলনের তথ্য পাওয়া যায়। যাহার পেট্রোবাংলার তথ্যানুসারে ক্রমিক নং- ২২,২৩,২৫। যাহার গ্রেড ছিল ঞউগ ২৩০০, ৩৩৬১, ৪৫০০ অষষ উৎু।
তৎকালীন পাকিস্তান সরকার আমলে এই খনির সন্ধান পাওয়া যায়। বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা ও বিশে¬ষণ করার পর এখানে তেল উৎপাদনের বিভিন্ন স্থাপনাও নির্মাণ করা হয়। তারপর এখান থেকেই শুরু হয় তেল উৎপাদনের সুবিশাল লক্ষ্যমাত্রা। এরপর দীর্ঘদিন এখান থেকে তেল উৎপাদন করে আসলেও এই তেল খনির জন্য রাশিয়া এবং ভারতের দুইটি তেল খনি অচল হয়ে যাওয়ার আশংকায় এই তেল খনিটি তৎকালীন সরকারের হস্তক্ষেপে ও দেশীয় কিছু সুবিধাভোগীদের কারণে এই খনিতে শীষা ঢেলে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
সরজমিন পরিদর্শনকালে আরো দেখা যায়, জ্বরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে তেল খনি গুলোর শোধনাগার, তেল পরিশুদ্ধি করার বিশাল ট্যাংক, লোহার সুগভীর তেল উত্তোলনের পাইপ। যেগুলো মাটি ও বিভিন্ন গাছগাছালি উঠে মিশে যাচ্ছে পাহাড়ের সাথে। বাঁশখালী পৌর এলাকার সোজা পূর্ব দিকে জঙ্গল জলদী পাহাড়ের গহীন অরণ্যে অবস্থিত এ স্থানে যেতে সময় লাগবে বাঁশখালী আদালত ভবন থেকে পূর্ব দিকে বাঁশখালী-লোহাগাড়া সড়ক বেয়ে প্রায় দেড় ঘন্টার মত। পাহাড়ি ছড়া বেয়ে প্রায় ২-৩ মাইল হেটে যেতে হয় ওই স্থানে। এখানে রয়েছে সুবিশাল ও অনেক উচ্চতা সম্পন্ন পাহাড়ি চূড়া। যে গুলোতে রয়েছে হাতির অবাধ বিচরণ। বিশেষ করে তেল খনি এলাকাকে ঘিরে বন্য হাতির পাল সব সময় বিচরণ করতে দেখা যায়।
এদিকে এই খনি গুলোতে গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ গ্রহণ করায় স্থানীয় শ্রমজীবি থেকে পেশা জীবি ও সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা বাপেক্সকে সাধুবাদ জানিয়েছে।

মতামত...