,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামের সেন্ট স্কলাসটিকা স্কুলে ছাত্রী নির্যাতনের ঘটনায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত

1001নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা,২০, জানুয়ারি (বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম):: চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালীস্থ সেন্ট স্কলাসটিকা স্কুলে (গির্জা স্কুল) নির্মাণ শ্রমিক কর্র্তৃক দুই স্কুল ছাত্রী যৌন নিপীড়নের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবারও দিনভর বিক্ষোভ করেছে অভিভাবক ও এলাকাবাসীরা।
ছাত্রীদের নিপীড়নকারী নির্মাণ শ্রমিকদের গ্রেফতার এবং ঘটনার ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টার অভিযোগ তুলে স্কুল প্রধান শিক্ষিকাসহ সংশ্লিষ্টদের বিচার দাবী করে অভিভাবকরা মানববন্ধন করেছেন।

কর্মসুচি চলাকালে বুধবার সেন্ট স্কলাসটিকার প্রধান শিক্ষকের সম্মেলন কক্ষে জনপ্রতিনিধি ও অভিভাবক প্রতিনিধিদের সঙ্গে স্কুল কর্তৃপক্ষের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে।

গেল ৩ দিন ধরে স্কুলটির ভীতরে দুই শিশু ছাত্রী ধর্ষণ এবং একজনের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবক মহলে আতঙ্ক উদ্বেগ ছড়ি পড়ে। মঙ্গলবার দিনভর শত শত অভিভাবক স্কুলটি ঘেরাও করে ভাঙচুরের চেষ্টা এবং শিক্ষক শিক্ষিকে অবরুদ্ধ করে রাখে। উপ্তপ্ত পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার কর্তৃপক্ষ এক ঘোষণায় আগামী রোববার পর্যন্ত স্কুল বন্ধ ঘোষণা করেন।

কোতোয়ালী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসীম উদ্দীন বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে জানান, আসলে ধর্ষণের মত কোন ঘটনা ঘটেনি। আমরা অভিভাবকদের এ অভিযোগ তদন্ত করে দেখেছি। তবে নির্মাণ শ্রমিকরা দুজন ছাত্রীর গায়ে হাত দিয়েছে মুখ চেপে ধরে শ্লীলতাহানি করেছে। এ ঘটনা স্কুল কর্তৃপক্ষ ধামাচাপা এবং স্কুলে হেড ম্যাডাম অভিভাবকদের সাথে দুর্ব্যবহার করাতে পরিস্থিতি উপ্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, ঘটনা তদন্তে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠিত হয়েছে। তিন দিনের মধ্যে তারা প্রতিবেদন জমা দেবে। এরপর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবারের বৈঠক থেকে আগামী রোববার থেকে পর্যাপ্ত পুলিশ ফোর্স মোতায়েনের মাধ্যমে স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান বৈঠকে থাকা ফিরিঙ্গিবাজার ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব।

তিনি বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে জানান, বৈঠকে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী শনিবার পূর্বনির্ধারিত এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হলেও শুক্রবারের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠান স্থগিত রাখা হয়েছে। এখন থেকে বিকাল পাঁচটা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্তই কেবল স্কুলের ভবন নির্মাণের কাজ চালানোর এবং নির্মাণ শ্রমিকদের বাধ্যতামূলক পরনে ইউনিফর্ম থাকবে, একই সাথে পরিচয় পত্র ও হেলম্যাট বাধ্যতামূলক করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মতামত...