,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামে আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারে জিইসি মোড়ে র‌্যাম্প নির্মাণের পরিকল্পনা সিডিএর

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: বানিজ্য রাজধানী চট্টগ্রামে আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারে র‌্যাম্প ও লুপ নির্মাণ কাজ আসছে ডিসেম্বরে শেষ হবে।নাসিরাবাদ সিডিএ এভিনিউ সড়কে স্থাপিত লুপের কারণে মূল সড়কের প্রশস্ততা কমবে না এবং যানবাহন চলাচলে সমস্যা হবে না ।

সিডিএ সূত্র জানায়, ফ্লাইওভার প্রকল্পে দুই নম্বর গেট মোড়ে গাড়ি ওঠানামার জন্যে দুটি লুপ নির্মাণের বিষয় মূল ডিপিপিতে ছিল। সেই হিসেবে লুপ নির্মাণ হচ্ছে। আর জিইসি মোড়ে গাড়ি চলাচলের সুবিধার্থে র‌্যাম্প নির্মাণের পরিকল্পনা করছে তারা।

জানা গেছে, আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারের নিচে সিডিএ এভিনিউ সড়কে বড় বড় গর্ত করে লুপ নির্মাণ কাজ চলছে। সড়ক দ্বীপের (আইল্যান্ড) পাশ ঘেঁষে এসব লুপ তৈরি হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই সিডিএ এভিনিউ এলাকার লুপ মূল সড়ক থেকে সরিয়ে সামনের গলিপথে বসানোর দাবি জানান। তাঁদের মতে, এতে সড়কের প্রশস্ততা বজায় থাকবে। ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে যানবাহন চলাচল সহজ হবে।

সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী ও আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভার প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান  বলেন, ‘আমাদের ডিজাইনে লুপগুলো যেভাবে বসানোর কথা ছিল সেভাবেই বসানো হয়েছে। তাছাড়া ইতিমধ্যে এই এলাকার লুপের কাজ প্রায় শেষ। এখন এগুলো সরিয়ে আনার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি আরো বলেন,‘লুপগুলো এক ধরনের পিলার আকৃতির হবে। এগুলো ওপরে গিয়ে মিলিত হবে। নিচে মিলিত হবে না। এতে জায়গা দখল করবে না। পিলারের সাইজটাই থাকবে। এতে মূল সড়কের প্রশস্ততা কমবে না।

তিনি বলেন, লুপ হচ্ছে দোতলা ফ্লাইওভার। যানবাহন রাইট টার্নিং করতে হলে (ডান পাশে ঘুরে যেতে হলে) ওটাকে লুপের মাধ্যমে অর্থাৎ দোতলা দিয়ে যেতে হয়। দোতলায় একটা ফ্লাইওভার হয়ে আরেকটা ফ্লাইওভারের মাধ্যমে মূল ফ্লাইওভারে মিলিত হবে। র‌্যাম্প হচ্ছে গাড়ি নেমে যাওয়ার মাধ্যম। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট নির্দেশনায় গাড়ি নেমে যাবে।

আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভার প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান জানান, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ফ্লাইওভার সংলগ্ন দুই নম্বর গেট ও জিইসি মোড়ে লুপ ও র‌্যাম্প নির্মাণ কাজ শেষ হবে। ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ রয়েছে, তার আগেই লুপ ও র‌্যাম্প নিমার্ণ কাজ শেষ হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৪ সালের ১২ নভেম্বর প্রকল্পটির ভৌত কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। ২০১৫ সালের মার্চ মাসে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

৫ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য ষোলশহর দুই নম্বর গেটে লুপ এবং জিইসি মোড়ে র‌্যাম্পসহ ৬ দশমিক ৮ কিলোমিটারে উন্নীত হবে বলে জানা গেছে। বি এন আর, ২০ অক্টোবর ২০১৭।

মতামত...