,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী সিডিএ মাঠে ১১ দিনের ব্যবধানে ফের গৃহবধূ গণধর্ষণ

raipনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ  কর্ণফুলী থানাধীন মইজ্জ্যারটেকস্থ সিডিএ আবাসিক মাঠ সংলগ্ন স্থানে আবারো গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। কথা বলার অজুহাতে ঘর থেকে বের করে জোর পূর্বক সিডিএ মাঠ এলাকায় নিয়ে তাকে ৩ জন মিলে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় মোহাম্মদ ফারুক (২৫) নামে এক ধর্ষককে আটক করেছে পুলিশ। সে শিকলবাহার সিডিএরটেক এলাকার বাসিন্দা কালু মিয়ার পুত্র। অন্য দুই ধর্ষক পালিয়ে যায়। তারা সবাই একটি সিন্ডিকেটের লোক।

গেল মার্চের ১৯ মার্চ শাহ আমানত সেতুর উপর থেকে জোর করে তুলে নিয়ে একই স্থানে এক নববধূকে গণধর্ষণ করা হয়। ওই ঘটনায় জড়িত ৬ ধর্ষকের মধ্যে তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ। ওই ঘটনার ১২ দিনের মাথায় একই এলাকায় একই ধরনের আরো একটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এছাড়া গত এক মাসে কর্ণফুলী থানা এলাকায় পৃথক তিনটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এক মাসে তিন খুন আর একের পর এক গণধর্ষণের ঘটনাসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক অবনতিতে এলাকায় সাধারণ লোকজনের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। কর্ণফুলী থানা এলাকার লোকজনের অভিযোগ পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার কারণে এ ধরনের দুর্ঘটনা বার বার ঘটছে।

 বন্দর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার হারুনুর রশিদ হাযারী বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে বলন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়নি। ঘরে ঘরে গিয়ে পুলিশের পাহারা দেয়া সম্ভব নয়। যেসব ঘটনা ঘটেছে সেসব ঘটনায় আসামি শনাক্ত হয়েছে এবং তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে।

এর আগে, ১৯ মার্চ স্বামীর সাথে অভিমান করে শাহ আমানত সেতুতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন সদ্য বিবাহিত এক গৃহবধূ। রাত ৯টায় শাহ আমানত সেতু থেকে তাকে অপহরণ করার পর মইজ্জ্যারটেক সিডিএ আবাসিক মাঠে নিয়ে ৬ জন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ঘটনার সাথে জড়িত কয়েক জন শাহ আমানত সেতুর সিকিউরিটি গার্ড ও একটি সিন্ডিকেটের সদস্য। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক সিকিউরিটি গার্ডসহ তিন জনকে গ্রেপ্তার করে।

সর্বশেষ গত ২ এপ্রিল শনিবার রাতে গৃহবধূকে ঘর থেকে ডেকে এরপর জোর করে নির্জন স্থানে নিয়ে গণধর্ষণ করা হয়। স্থানীয়রা জানান, উখিয়া থানা এলাকার বাসিন্দা ওই গৃহবধূ কর্ণফুলী থানাধীন সিডিএরটেক এলাকায় সপরিবারে বসবাস করেন। তার স্বামী পেশায় রিক্সা চালক। শনিবার রাত ১০ টায় এক যুবক তার সাথে জরুরি কথা আছে জানিয়ে ঘর থেকে ডেকে বের করে। এরপর তারা তিন জন মিলে জোর করে নিয়ে যায় সিডিএ আবাসিক এলাকাস্থ নির্জন স্থানে। সেখানে তিন জন মিলে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষকদের কবল থেকে রক্ষার আকুতি জানিয়ে গৃহবধূর চিৎকার শুনে লোকজন পুলিশে সংবাদ দেয়। পরে পুলিশ ও জনতা মিলে ঘটনাস্থল থেকে মোহাম্মদ ফারুক নামের এক যুবককে আটক করে। এ সময় শিকলবাহা ইউনিয়নের সিডিএর টেক এলাকার বাসিন্দা ছগির আহমদের পুত্র মোহাম্মদ মঞ্জু(২৪) ও একই এলাকার বাসিন্দা ইউসুপ আহমদের পুত্র মোহাম্মদ জসিম (২৩)পালিয়ে যায়। তারা সকলে ওই এলাকার একটি সিন্ডিকেটের সদস্য।

কর্ণফুলী থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে জানান, গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক ধর্ষককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার হওয়ার গৃহবধূর শারীরিক পরীক্ষার জন্য রাখা হয়েছে। আদালতে জবানবন্দির জন্য প্রেরণ করা হবে।

বি এন আর/০০১৬/০০৪/০০৪/০০০৪৭৮১/ এন

মতামত...