,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামে নবনির্মিত মোটেল সৈকতের উদ্বোধন,বেসরকারী খাতে পরিচালনার প্রস্তাব

hotel saykatনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ চট্টগ্রাম, এশিয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে চট্টগ্রাম মহানগরীর স্টেশন রোডে নবনির্মিত মোটেল সৈকতের উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের নির্মিত এ মোটেলটির এর আনুষ্ঠানিক ফলক উন্মোচন করে উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য তানভীর ইমাম, মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী, বেগম সাবিহা নাহার, কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান অপরূপ চৌধুরী, মন্ত্রণালয়ের সচিব এসএম গোলাম ফারুক প্রমুখ।

bnr ad 250x70 1সংশ্লিষ্ট সূত্রের দেয়া তথ্য অনুযায়ী অত্যাধুনিক পর্যটন মোটেল সৈকত নির্মাণে এডিবি অর্থায়নের পরিমাণ ৪৬ কোটি টাকা। পুরনো পাকা অবকাঠামো ভেঙ্গে নতুন বহুতল অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু হয় ২০১১ সালে। গত মাসে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। এটি বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের গৃহিত সবচেয়ে বড় প্রকল্প। সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই মোটেলে কক্ষ সংখ্যা ১৫০, রয়েছে ৪০০ আসনের একটি ব্যাঙ্কুয়েট হল, ৪০০ আসনের একটি কনফারেন্স হল, ১০০ আসনের একটি রেস্তোরাঁ এবং ৭৫ আসনের আরো একটি রেস্তোরাঁ।

কিন্তু এ মোটেলটি নিয়ে সংশয়ের মধ্যে পড়েছে খোদ পর্যটন কর্পোরেশন। অত্যাধুনিক বলা হলেও ব্যবসায়ী পর্যটকদের আকৃষ্ট করা নিয়েই তাদের রয়েছে এ সংশয়। কারণ ১০ তলা বিশিষ্ট মোটেল সৈকতে যুক্ত করা হয়নি সুইমিংপুল ও বার।

তবে ব্যবসায়ী পর্যটকদের চাহিদা বুঝে পরবর্তীতে সুইমিংপুল ও বার যুক্ত করার চিন্তাভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পর্যটন করপোরেশনের কর্মকর্তারা। সুইমিংপুল না থাকায় মোটেল সৈকতকে ‘তিন তারকা’ মানের বলতে চান না তারা।

৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নগরের রেলস্টেশন এলাকায় ০.৯৭ একর জায়গার ওপর গড়ে উঠা আধুনিক এ মোটেলটি
মোটেল সৈকতের ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান বলেন, ‘অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। দৃষ্টিনন্দন এ মোটেল সৈকত চট্টগ্রাম শহরে আগত ব্যবসায়ী পর্যটকদের আকর্ষণ করবে বলে আশা করছি।’

মোটেলকে তিন তারকা মানের আখ্যায়িত করা যাবে কি-না প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যেহেতু সুইমিংপুলসহ আরও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা এখানে নেই তাই আমরা এটাকে তিন তারকা মানের বলতে চাই না। তবে বাংলাদেশে পর্যটন কর্পোরেশনের যতগুলো মোটেল রয়েছে তার মধ্যে এটি অন্যতম। এটির মতো অত্যাধুনিক মোটেল দেশের আর কোথাও নেই।

এদিকে পর্যটন মোটেল সৈকত বেসরকারি খাতের মাধ্যমে পরিচালনার জন্য একটি প্রস্তাব পর্যটন মন্ত্রণালয়ে রয়েছে বলে জানাগেছে।

বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান অপরূপ চৌধুরী বলেন, মোটেল সৈকত পরিচালনার ভার বেসরকারি খাতে দেয়ার ব্যাপারে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মোটেলটিকে কিভাবে লাভজনক করা যায় সে বিষয়ে চিন্তু-ভাবনা করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

মতামত...