,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামে নিহত কলেজ শিক্ষকের শরীরে আঘাতের চিহ্ন, হত্যা মামলা দায়ের

aনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজঃ চট্টগ্রামে নিহত কলেজ শিক্ষকের শরীরে আঘাতের চিহ্ন, হত্যা মামলা দায়ের করছেন তার মেয়ে। নগরীর পাঁচলাইশ এলাকায় কলেজ শিক্ষক ইকবাল হোসেন চৌধুরীকে (৫২) হত্যা করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ করে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেছেন তার মেয়ে নগরীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী আফিয়া ইকরা। শুক্রবার রাতে মামলাটি দায়ের করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিএমপির পাঁচলাইশ জোনের সহকারী কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর আলম বিডিনিউজ রিভিউজকে  বলেন, লাশের গায়ে কিছু আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাই আমরা কোন রিস্ক নিতে চাই না। হত্যা মামলা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে তদন্ত কাজ শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দৃশ্যত কোন অগ্রগতি নেই, তবে আমরা সম্ভাব্য সবদিক খতিয়ে দেখছি।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর আরাকান সোসাইটি আবাসিক এলাকার দুই নম্বর সড়কের জামান ভবনের তিনতলার ফ্ল্যাটের বাথরুমে পানির ড্রাম থেকে পা বাঁধা অবস্থায় ইকবাল হোসেন চৌধুরী (৫২) নামে ওই কলেজ শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ইকবাল হোসেন চৌধুরী বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর গ্রামের মৃত মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরীর ছেলে। তিনি নগরীর পাহাড়তলী কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ছিলেন। স্ত্রী ও এক মেয়ে সন্তান নিয়ে ওই বাসায় ইকবাল থাকতেন। তার স্ত্রী সুলতানা রাজিয়া রাউজান কলেজের শিক্ষক।

মেয়ে আফিয়া জানান, সকাল আটটার দিকে তিনি খালার বাসায় যাবার জন্য বাসা থেকে বেরুচ্ছিলেন। আগেই কলেজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যান তার মা। বাবা তখন কলেজে যাবার জন্য প্যান্ট-শার্ট পরে তৈরি হচ্ছিলেন। বিকেল তিনটার দিকে আফিয়া বাসায় ফিরে দেখেন দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। বেশ কয়েকবার মোবাইলে কল দিলেও রিসিভ করেননি তার বাবা। এসময় আফিয়া বিষয়টি ফোনে তার মাকে জানায়। তার মায়ের পরামর্শে আফিয়া প্রতিবেশি ও ভবনের নিরাপত্তারক্ষীকে ডেকে এনে তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন; তারা দেখতে পান, বাথরুমের দরজা খোলা। আফিয়া আরও দেখেন, তার বাবা লুঙ্গি পরা অবস্থায় বাথরুমের ভেতরে আনুমানিক আড়াই হাত লম্বা একটি পানিভর্তি ড্রামের ভেতরে উপুর হয়ে পড়ে আছেন। তার দুই পা মোটা রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ড্রামের পাশে একটি চেয়ারের সঙ্গে লেগে আছে। বিষয়টি পুলিশকে দ্রুত জানানো হলে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ইকবালের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পাঁচলাইশ জোনের সহকারি কমিশনার মো.জাহাঙ্গীর আলম বলেন, যে প্রক্রিয়ায় মরদেহটি পাওয়া গেছে সেভাবে কারও আত্মহত্যার সুযোগ আছে কিনা তদন্ত করে দেখতে হবে। কলেজে যাবার জন্য রেডি হয়েও তিনি কলেজে যাননি কেন সেটা তদন্ত করে দেখতে হবে। কারও সঙ্গে পূর্ব শত্রুতা কিংবা জমিজমা নিয়ে বিরোধ ছিল কিনা সেটাও দেখছি আমরা।

মতামত...