,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামে বাঁশখালীতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ৩ হত ২০ আহত

a.jpg2নিজস্ব  প্রতিবেদক, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ বাঁশখালীর গণ্ডমারায় এস আলম গ্রুপের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষে-বিপক্ষে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত এবং পুলিশ, আনসার, গ্রামবাসীসহ আহত হয়েছেন ২০ জন।

সোমবার (০৪ এপ্রিল) দুই পক্ষের উত্তেজনা সৃষ্টি হলে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে । উত্তেজিত গ্রামবাসী ১৪৪ ধারা ভেঙে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছুড়লে পুলিশ অ্যাকশনে গেলে এ সময় গ্রামবাসী, আনসার ও পুলিশের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়।

বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামসুজ্জামান বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে  ৮ টায় মোবাইলে  জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজন নিহত ও ১১ জন পুলিশ,আনসার এবং ৯ জন গ্রামবাসীসহ ২০  আহত হয়েছেন।  গুরুতর আহত৩ জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার একেএম হাফিজ আক্তার বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে জানান, গ্রামবাসী পুলিশকে ঘিরে ফেলার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ হলে কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে জানান, এস আলমের কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষে-বিপক্ষে দুই গ্রুপ একই জায়গায় সমাবেশ আহ্বান করার  পরিপ্রেক্ষিতে ওই জায়গায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ১৪৪ ধারা জারি করেন। এক পর্যায়ে ১৪৪ ধারা অমান্য করে একটি পক্ষ সমাবেশ করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের ওপর আক্রমণ করলে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ফাঁকা গুলি ছোড়ে এবং লাঠিচার্জ করে।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই পঙ্কজ বড়ুয়া বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে জানান, বাঁশখালীতে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত মুজিবুল হক ও আনসার উদ্দিনকে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হলে  তাদের ১৯ নম্বর ওয়ার্ড ও ক্যাজুয়ালিটি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

 

জানা গেছে, বেসরকারি পর্যায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে দেশের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হচ্ছে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর গণ্ডামারা পশ্চিম বড়ঘোনায়। চায়না সেবকো এইচটিজির সঙ্গে যৌথভাবে ৬০০ একর জমির ওপর ২০ হাজার কোটি টাকার এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে এস আলম গ্রুপ। কয়লাভিত্তিক ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৭০ শতাংশের মালিকানা চট্টগ্রামের এস আলম গ্রুপের, ৩০ শতাংশের মালিকানা থাকবে দুটি চীনা প্রতিষ্ঠানের।

জার্মান ও আমেরিকান প্রযুক্তির এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জাহাজ থেকে কয়লা নামানোর জন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশে তৈরি করা হবে বেসরকারি বন্দরের মতো একটি জেটি। প্রকল্প চলাকালীন এখানে কাজ করবে প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী। প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর বিশেষজ্ঞ, প্রকৌশলী, কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে কর্মসংস্থান হবে ৬০০ জনের বেশী ।

বি এন আর/০০১৬/০০৪/০০৪/০০০৪৭৯৪/ এন

মতামত...