,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামে বিএনপির বিক্ষোভ

bনিজস্ব প্রতিবেদক,বিডিনিউজ রিভিউজঃ কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনে বলেছেন এই অবৈধ সরকারের কাছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাই একমাত্র নিরাদ। সম্প্রতি নাসির নগরে হিন্দু মন্দির ও ঘর-বাড়ী ভাঙচুর করা হয়েছে সরকার দলীয় স্থানীয় সংসদ সাইদুল হকের নেতৃত্বে। গাইবান্ধায় সাওতালদের হত্যা করা হয়েছে। তাই এ সরকারের হাতে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টান ও সান্তাল কেউ নিরাপদ নয়, নিরাপদ শুধু সরকার দলীয় যারা অস্ত্র উচিয়ে রাজপথে মহড়া দেয়, টেন্ডার বাজি করে, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
ডা. শাহাদাত আরও বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে গণতন্ত্রের কথা বলা হয়েছে, ভোটাধিকারের কথা বলা হয়েছে কিন্তু গণতন্ত্রের নামে চলছে স্বৈরাতন্ত্র। গণতন্ত্র আজ নির্বাসিত। মানুষের ভোটাধিকার হরণ করে একদলীয়ভাবে দেশ শাসন করছে। এই অবৈধ সরকার প্রতিটি অবৈধ কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। জুলুম নির্যাতন, মামলা-হামলা হুলিয়া, উপেক্ষা করে এই সরকারের বিরোধ গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। ডা. শাহাদাত আরও বলেন, বিএনপি দক্ষিণ এশিয়ার একটি সর্ববৃহৎ দল। বিএনপি তিন তিন বার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিল। আজকে অবৈধ সরকার বিএনপিকে ৭ নভেম্বর সমাবেশের অনুমতি দেয় নাই। কারন তারা বিএনপির জনসমর্থনকে ভয় পায়, তারা মনে করে বিএনপি সমাবেশের মাধ্যমে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হবে সে গণজোয়ার গণআন্দোলনে পরিণত হবে। এবং তাদের পদত্যাগে বাধ্য করা হবে। তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আগামীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণআন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের পদত্যাগে বাধ্য করা হবে। এতে সকল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
ডা. শাহাদাত হোসেন দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুদ করার লক্ষ্যে ৩৯ ওয়ার্ডের কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে যে সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে তা আগামীকাল ১৫ নভেম্বর শেষ হবে। ওয়ার্ডের প্রতিটি আহ্বায়ককে ১৬ তারিখের মধ্যে সদস্য ফরমের বই জমা দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি অদ্য ১৪ নভেম্বর বিকালে দলীয় কার্যালয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ মিছিলোত্তর সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।
বিক্ষোভ মিছিলোত্তর সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা এম.এ. আজিজ, মোহাম্মদ আলী, মোহাম্মদ আলী, শেখ নুরুল্লাহ বাহার, শফিকুর রহমান স্বপন, এসকান্দর মির্জা, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, নুরুল আলম রাজু, সামশুল আলম, ইবাল চৌধুরী, মনোয়ারা বেগম মনি, টিংকু দাশ, কামরুল ইসলাম, জেলি চৌধুরী, কাউন্সিলর আজম উদ্দিন, হাজী নবাব খান, ইসহাক চৌধুরী আলীম, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, মাহবুবুল আলম, শাহ আলম, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, মোঃ সালাহউদ্দিন, আলী আব্বাস খান, দিদারুর রহমান লাভু, তৌহিদুস সালাম নিশাদ, জিয়াউর রহমান জিয়া, এমদাদুল হক বাদশা প্রমুখ। উক্ত বিক্ষোভ মিছিলটি ভিআইপি টাওয়ার, কাজির দেউরী, নুর আহমদ সড়ক হয়ে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

মতামত...