,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামে বিদেশ ফেরত সন্ত্রাসি মুন্না গ্রেপ্তার

aনিজস্ব প্রতিবেদন,  বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের পাঁচলাইশের চালিতাতলী এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে চাঞ্চল্যকর  আওয়ামী লীগ নেতা লিয়াকত আলী খান  হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামী  বেলাল উদ্দিন মুন্না।

সেই হত্যাকাণ্ডের পর বাঁচতে নাম পাল্টে পাসপোর্ট তৈরি করে সৌদি আরব চলে যায় সে ।

শনিবার ১৪ মে ভোরে সে বাবার মামলায় বায়েজিদ থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় মুন্না।

মুন্না পার্সপোর্টের নিজ নাম পরিবর্তন করে আবদুল আজিজ পিতা আবদুস সাত্তার নাম পাল্টে পাসপোর্ট তৈরি করে বিদেশে চলে যায়।

সিএমপির বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন  বলেন, ‘বাবার করা একটি মামলায় মো. বেলাল উদ্দিন মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি শিবির ক্যাডার সাজ্জাদের এক সময়ের সহযোগী ও লিয়াকত আলী খান হত্যা মামলার এজহারনামায় আসামি ছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করেছে ওই হত্যাকাণ্ডের পর ২০০০ সালের দিকে নাম পাল্টে পাসপোর্ট তৈরি করে বিদেশে চলে যায়।

এলাকায় স্থানীয়রা জানান, লিয়াকত হত্যাকাণ্ডের পর মুন্না প্রথমে সৌদি আরব ও পরে আরব আমিরাতে পালিয়ে ছিলেন। লিয়াকত আলী হত্যার মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার পর সে দেশে ফিরে আসে।

দেশে ফিরেই সে আবারো স্বরূপে পুরুনো কর্ম কান্ড শুরু করে নিজের প্রথম স্ত্রীকে অস্বীকার করে

 আরেক রুন্দ্রি কে বিয়ে করে তার বাবার কাছেই দাবি করে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা  এবংকয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নেওয়ার জন্য বাবার ওপর নির্যাতন শুরু করে মুন্না।গেল ১০ মে  তার দাবী না করায় তার বাবাকে হত্যার উদ্দেশে দ্বিতীয় স্ত্রী ও অপর সুমন কে নিয়ে  মারধর করে মু্ন্না। এসময় বাধা দিতে গিয়ে আহত হন তার মাও। অস্ত্র দেখিয়ে তাদের প্রাণনাশের হুমকিও দেয় সে।

 আবদুস ছাত্তার তার ছেলে মুন্না, স্ত্রী জেসমিন ও বন্ধু সুমনকে আসামি করে বায়েজিদ থানায় মামলা করে ১১মে। ওই মামলায় মুন্নাকে শনিবার গ্রেফতার করা হয়।  আগে আরও একটি জিডি করেছিলেন মুন্নার বাবা আবদুস ছাত্তার।

ওসি মোহাম্মদ মহসিন বলেন,  অস্ত্র উদ্ধারে তাকে পাঁচদিনের রিমাণ্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।’

 

মতামত...