,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামে ব্যবসায়ী হারুন হত্যায় লিটনসহ ১০ আসামীর বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: চট্টগ্রাম মহানগরীর কদমতলীর ব্যবসায়ী হারুন হত্যায় অভিযুক্ত সন্দেহে মোশাররফ হোসেন লিটনসহ দশ জনের নামে মঙ্গলবার সদরঘাট থানায় মামলা দায়ের করেছেন তার ভাই হুমায়ুন চৌধুরী। মামলায় সুনির্দিষ্ট কাউকে আসামি করা হয়নি। এজাহারেঅভিযোগে বলা হয়, যে দশজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হারুনের খুনের ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে। পুলিশ হারুন হত্যায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

সন্দেহভাজন আসামীরা হল, জানে আলমের ছেলে মো. আলমগীর ও হৃদয়, মৃত নুরুল আলমের ছেলে মো. কায়সার ও নুরুন্নবী, দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মোশারফ হোসেন লিটন, জমির সর্দারের ছেলে মো. শরিফ, মৃত আবু তাহেরের ছেলে মো. জসিম ওরফে তোতলা জসিম, তানভীর হোসেন শাওন, তৌকির হোসেন সেজান ও হাজী মো. সালাউদ্দিন দুলাল। এদের অধিকাংশ সিআরবি জোড়া খুন মামলার আসামি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক (বহিষ্কৃত) সাইফুল আলম লিমনের অনুসারী হিসেবে স্থানীয়ভাবে পরিচিত।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, কদমতলী ডিটি রোডের সালামত আলী মার্কেটের তৃতীয় তলায় হারুনের এসটি ট্রেডিং নামে একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মাদারবাড়ি শুভপুর পলাশী মোড়ে কমিশন ব্রোকার হিসাবে কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি। মালিক ও এজেন্সির মধ্যে মধ্যস্থতাকারী (ব্রোকার) হিসেবে কমিশন পায়। কিছুদিন ধরে একটি গ্রুপ কদমতলী পলাশী মোড়ের ট্রাক স্ট্যান্ড ব্রোকার মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে। কমিশন ব্রোকারদের কাছ থেকে চাঁদাও দাবি করে। স্থানীয় প্রভাবশালী হিসেবে এসবের প্রতিবাদ করেন হারুন। এজাহারে উল্লিখিত ১০ জনের সঙ্গে হারুনের বিরোধ হয়। এর জের ধরে হারুনকে তারা খুন করতে পারে বলে দাবি করেন নিহতের ভাই হুমায়ুন চৌধুরী।

প্রকাশ, গত রবিবার সন্ধ্যায় ৪৩১/৫৮৭ ডিটি রোডের কদমতলী নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিচে সন্ত্রাসীদের গুলিতে খুন হন হারুনুর রশিদ চৌধুরী। তিনি সদরঘাট থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক বলে দাবি বিএনপি নেতাদের। তার চাচা জাহাঙ্গীর চৌধুরী বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা এবং দস্তগীর চৌধুরী ছিলেন নগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক। তারা কদমতলী এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।

মতামত...