,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ফাঁসের দায়ে থানায় মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলের ৫ম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ২১ তারিখ রাত সাড়ে ১২টায় প্রকাশ করার অল্প কিছু সময় আগেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে সরকারী ভাবে প্রকাশিতব্য ফলাফল।

জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষর হওয়ার আগেই ফলাফল ফাঁস হওয়ায় সমালোচনার এর প্রেক্ষিতে তদন্তের মাধ্যমে ফলাফল ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের সনাক্ত করেছে ।

জেলা প্রশাসনের তদন্তে স্কুলের সহকারী শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন ও সহকারী শিক্ষক (গণিত) আনিছ ফারুক ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি স্কুলের উচ্চমান সহকারী মো. ফারুক আহমেদ ও কম্পিউটার অপারেটর রিদুয়ানুল হককেও ফলাফল ফাঁসের জন্য দায়ী করেছে ।

এছাড়া ‘বাবলা স্যার কোচিং সেন্টারের’ পরিচালক বাবলা দে ও মামুন কোচিং সেন্টারের পরিচালক মামুনও এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত বলে প্রশাসনের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে স্কুলের কম্পিউটার অপারেটর রিদুয়ানুল হককে বরখাস্তের পাশাপাশি স্কুলের চার শিক্ষক-কর্মচারী ও দুই কোচিং সেন্টারের পরিচালকের বিরুদ্ধে রোববার (২৪ ডিসেম্বর) সদরঘাট থানায়  মামলা নম্বর ২৩ দায়ের করেছে।

জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান স্বাক্ষরিত এই বিবৃতিতে বলা হয়, জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষরের আগেই ফলাফল প্রকাশের খবর বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত হয়। প্রকৃতপক্ষে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলে ফলাফল প্রক্রিয়াকরণের পর জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষরের জন্য উক্ত কেন্দ্র থেকে নিয়ে আসা হলে উক্ত কেন্দ্রের কম্পিউটারে সংরক্ষিত সফ্ট কপি পুনরায় প্রিন্ট করে শিক্ষক-কর্মচারী ও কতিপয় অভিভাবকের সহায়তায় ‘বাবলা স্যার কোচিং সেন্টার’ এর পরিচালক বাবলা দে দে’কে সরবরাহ করা হয়। এছাড়া মামুন কোচিং সেন্টারের পরিচালক মামুনের সহায়তায় বাবলা দে ভর্তি পরীক্ষার বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে কম্পিউটার অপারেটর রিদুয়ানুল হককে ইতিমধ্যে বরখাস্ত করা হয়েছে এবংস্কুলের সহকারী শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন ও সহকারী শিক্ষক (গণিত) আনিছ ফারুক ও উচ্চমান সহকারী মো. ফারুক আহমেদের এ অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ফলাফল ও পরবর্তীতে সরকারিভাবে প্রকাশিত ফলাফল একই হওয়ায় ফলাফল স্থগিত বা বাতিল করা হচ্ছে না।

জেলা প্রশাসনের বিবৃতিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ফলাফল ও পরবর্তীতে সরকারিভাবে প্রকাশিত ফলাফল একই।সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে স্বচ্ছতার সঙ্গে এ ফলাফল প্রস্তুত করা হয়েছে।

তাই এক্ষেত্রে অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সকলকে বিভ্রান্ত না হতে অনুরোধ করেন জেলা প্রশাসক।

মতামত...