,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্য ডাক্তার অবরুদ্ধ

Exif_JPEG_420

Exif_JPEG_420

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃচট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে দাবি করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স শুক্রবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত ঘেরা করে ডাক্তার ও কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করে রাখে উত্তেজিত এলাকাবাসী। এসময় জনতা চেয়ার টেবিল ভাঙচুর করে। পুলিশ হাসপাতালে কর্মকর্তা নারায়াণ চৌধুরী আটক করে থানায় নিয়ে গেছে।

১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অবরুদ্ধ থাকায় হাসপাতালে আবাসিক ও জরুরী বিভাগের চিকিৎসা সেবা বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে দূর্ভোগে পড়ে সেবা গ্রহীতারা। বিকেল ৫টার দিকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এসএম জসিম সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

Exif_JPEG_420

Exif_JPEG_420

স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে- শুক্রবার দুপুরে উপজেলার পোপাদিয়া ইউনিয়নের আকুবদন্ডী গ্রামের অমল নাথ (৩৭)কে অসুস্থ্যবস্থায় তার স্ত্রী বাপ্পী দেবনাথ উপজেলা স্বস্থ্য কেন্দ্রের জরুরী বিভাগে নিয়ে গেলে কিছুক্ষণের মধ্যে তার মৃত্যু হয়। অমল মৃত ধীরেন্দ্র নাথের ছেলে। তিনি স্থানীয় প্রত্যাশী নামের একটি এনজিও সংস্থার কর্মচারী। দূর্জয় (৫) ও রাজশ্রী (৬) নামে তার দুই সন্তান রয়েছে।

নিহতের স্ত্রী বাপ্পী দেবনাথ জানান, দুপুর ১টার দিকে আমার স্বামী (অমল নাথ) বুকে ব্যাথা অনুভব করছে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তারা ইনজেকশন দিয়ে একটি পরীক্ষা করতে বলে। এরপর পরীক্ষা করিয়ে ওষুধ কেনার সময় সে মাটিতে বসে যায়। আবারো হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান। তিনি বলেন, আমার স্বামীর তেমন কিছু হয়নি যে তিনি মারা যেতে পারেন। তাকে ভুল ইনজেশন দেয়ার ফলে মৃত্যু হয়েছে।

এ ব্যাপারে এলাকাবাসী ও অমলের স্বজনদের অভিযোগ করে বলেন, কর্তব্যরত চিকিৎসক চিকিৎসা করেননি। চিকিৎসকের অবহেলায় ও ভুল চিকিৎসার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে।

হাসপাতালের জরুরী বিভাগের উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নারায়ণ চৌধুরী জানান, কর্তব্যরত চিকিৎসক এলজিন ইনজেকশন টোকেনে লিখে দিয়ে পরীক্ষা করার কথা বলেন রোগীর স্বজনদের। এরপর আমি ইনজেকশনটি রোগীর শরীরে পুশ করি। এর কিছু সময় পরে তিনি মারা যান।

জানাগেছে, হাসপাতালের সিডিউল অনুযায়ী শুক্রবার দুপুরের জরুরী বিভাগের (ইএমও)এর দায়িত্বে ছিলেন ডা. সাবরিনা শারমিন। তিনি পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পালিয়ে যান। রেজিষ্ট্রারে দুপুর ২টার দিকে ভর্তি দেখানো হয়।

জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সারাহ মুসাররাল বলেন, হাসপাতালের দোতলায় রোগীকে দেখছিলাম। এসময় জরুরী বিভাগ থেকে মুঠো ফোনে আমাকে ডাকা হলে আমি নিচে নেমে রোগীকে দেখি। তখন তিনি মৃত্য ছিলেন। ডা. সারাহ মুসাররাল জানান, হাসপাতালে তাকে মৃত নিয়ে আসা হয়েছিল।

বোয়ালখালী থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সালাহ উদ্দীন চৌধুরী বলেন, বিষয়টি দেখা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এছাড়া হাসপাতালে কর্মকর্তা নারায়াণ চৌধুরী আটক করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে জরুরী বিভাগের চিকিৎসকরা সার্ব্বক্ষণিক দায়িত্ব পালনের কথা থাকলেও তারা তা পালন করেন না।

বি এন আর/০০১৬০০৩০০১০/০০০১৮১/পি

মতামত...