,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামে ৩ চিকিৎসকের অবহেলার অভিযোগে মামলা

drনিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা,১৯, জানুয়ারি (বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম):: চট্টগ্রামে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু ও অস্ত্রোপচারের সময় রোগীর পেটে ব্যান্ডেজ রেখে দেয়ার পৃথক অভিযোগে ৩ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মোহাম্মদ ফরিদ আলমের আদালতে এ নালিশী মামলা দুটি দায়ের করা হয়। আদালত অভিযোগ দুটি আমলে নিয়ে সরাসরি এজাহার হিসেবে পাঁচলাইশ থানা পুলিশকে গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক মাহবুবুল আলম ও ডা. শামীমা রোজী। তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন নিহত মেহেরুন নিসার বাবা খায়রুল বাশার। যিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির আপন ছোট ভাই। অপর মামলার আসামি হলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. রানা চৌধুরী। তার বিরুদ্ধে মামলাটি করেন রোগী নুরু আবছারের (১৭) বাবা গাড়ি চালক জেবল হোসেন।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (প্রসিকিউশন) মুত্তাকী ইবনু মিনান ও আদালত সূত্র জানায়, গত ৯ জানুয়ারি বিকেলে খায়রুল বাশারের মেয়ে মেহেরুন নিসা চিকিৎসক দম্পতি মাহাবুবুল আলম ও শামীমা রোজীর তত্ত্বাবধানে নগরের পাঁচলাইশ এলাকার বেসরকারি সার্জিস্কোপ হাসপাতালে ভর্তি হন। পরদিন ভোর ৬টায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তাঁর মেয়ে একটি কন্যা সন্তান প্রসব করেন। অস্ত্রোপচারের পর মেহেরুনের অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। ওই সময় চিকিৎসক দম্পতি বলেন, রোগীকে আবার অস্ত্রোপচার করতে হবে। ১২ ব্যাগ রক্ত লাগবে। অস্ত্রোপচারের সময় ১৪ ব্যাগ রক্তও দেয়া হয়। ওই দিন বিকেল ৫টার সময় হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, তাঁর মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। মূলত ওই দুই চিকিৎসকের অবহেলার কারণেই তাঁর মেয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগে করেন।

মেহেরুন্নেছার মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে ওইদিন সার্জিস্কোপ হাসপাতালে ভাংচুর করেন তার স্বজনরা। দুইদিন পর ডাক্তারের শাস্তি চেয়ে মানববন্ধন কর্মসূচিও পালন করা হয়।

অপর মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত বছরের ৬ নভেম্বর আনোয়ারা উপজেলার জেবল হোসেনের ছেলে নুরু আবছারকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। ওই্ ওয়ার্ডের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. রানা চৌধুরী তত্বাবধায়নে রোগী নুরু আবছারের অস্ত্রোপচার করা হয়।  এর পরও রোগীর পেটে ব্যথা লাগে বলায় ওই চিকিৎসকের পরামর্শে দ্বিতীয়বার অস্ত্রোপচার করা হয়। তারপরও পেটে ব্যথা অনুভব হওয়ায়, বেসরকারি কয়েকটি হাসপাতালে পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পর জেবল হোসেনকে জানানো হয়, তাঁর ছেলের পেটের ভেতরে ব্যান্ডেজ রয়েছে। অস্ত্রোপচারের সময় তা পেট থেকে বের করা হয়নি। ওই কারণে তাঁর ছেলের অঙ্গহানি হয়েছে। এ ঘটনায় আসামির বিরুদ্ধে শাস্থি ও ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়।

মতামত...