,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামে ৫০০ একর জায়গায় গার্মেন্টস পল্লী হবে

পোশাক শিল্পের জন্য চট্টগ্রামে ৫০০ একর জায়গায় গার্মেন্টস পল্লী গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী। আগামী ১৫ বছরের মধ্যে দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক জোন গড়ে তোলা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এরমধ্যে ৫০ শতাংশই হবে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে। প্রধান সমুদ্র বন্দরের কারণে চট্টগ্রামে ইকনমিক জোন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মিরসরাই ও ফেনীতে ২৭ হাজার একর জায়গা আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেবল মিরসরাইতেই ২০ থেকে ৩০টি অর্থনৈতিক জোন গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য বেজা ২৪ঘণ্টা ওয়ান স্টপ সেবা দিবে।
‘ডেভেলপম্যান্ট অব ইকনমিক জোনস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন রোড-শো উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।
গতকাল নগরীর র্যাডিসন ব্লু চিটাগং বে ভিউ’র মেজবান হলে এ অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপসি’ত ছিলেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম। অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর সম্ভাব্য জোন ডেভেলপার এবং ইউনিট ইনভেস্টরদের আগ্রহী করতে এই রোড শো’র আয়োজন করে বেজা। এতে চট্টগ্রাম চেম্বার, মেট্রোপলিটন চেম্বার, চট্টগ্রাম ইপিজেড ও চট্টগ্রাম ভিত্তিক বৃহৎ ও বহুজাতিক শিল্প প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী সমপ্রদায় এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২০০ জন অংশ নিয়েছেন।
ইকনমিক জোনের জন্য ঢাকা-টেকনাফ, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-মংলা ও ঢাকা পঞ্চগড় রুটে বেজা করিডোর তৈরি করতে চায় জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, আগামী ১৫ বছরের মধ্যে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করে ১০ মিনিয়ন লোকের কর্মসংস’ানের ব্যবস’া করতে বেজা কাজ করে যাচ্ছে।
সরকারি-বেসরকারি অংশিদারিত্বে বেজা মংলাতে দেশের প্রথম অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, পিপিপি মডেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সন্নিকটে মিরসরাইতে ৫৫০ একর জমিতে বৃহৎ শিল্পপার্ক উন্নয়নের কাজ চলছে। জাপান ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জেডি আই প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন করেছে।
অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় বেজা কাজ করে যাচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী পরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম এসব অঞ্চলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানান।
মিরসরাই ও আনোয়ারায় শিল্প পার্কে প্রতিষ্ঠিত শিল্প কারখানায় কর্মংসংস’ানের সুযোগ তৈরি হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পিপিপি ও জিটুজি ভিত্তিতে অর্থনৈতিক জোন করতে সরকার কাজ করছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন,
জায়গা কিনে কারখানা করা খুবই কঠিন। সরকরের এই উদ্যোগ ব্যবসা বান্ধব ও বিনিয়োগ উপযোগী।
গৃহায়নে প্রতিদিন ১ একর জায়গা নষ্ট হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই অবস’ায় সরকার ব্যবসায়ীদের জন্য অর্থনৈতিক জোন করে দিচ্ছে। এজন্য সরকার প্রশংসার দাবিদার।
চট্টগ্রাম চেম্বার পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ বলেন, ‘কানেকটিভিটি উন্নয়নে কাজ না করলে এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলের সুফল পাওয়া যাবে না।’
তিনি বলেন, বিগত ৮ বছরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চার লেনের কাজ শেষ হয়নি। অথচ এখন ৮ লেনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।খবর বাংলানিউজ’র

 

মতামত...