,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেললাইন নির্মাণের কাজ শুরু হচ্ছে ডিসেম্বরে

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর থেকেই শুরু হচ্ছে  চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেললাইন নির্মাণের কাজ। নির্মাণকাজের ঠিকাদার নিয়োগের পর ঠিকাদারের সাথে কাজের চুক্তিও সই হয়ে গেছে। ব্রডগেজসহ ডুয়েল লাইনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে এ প্রকল্পটি। এ প্রকল্পের মাধ্যমে পর্যটন শহর কক্সবাজার রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে। এতে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটবে।

রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক গত মাসে প্রকল্প সাইট পরিদর্শন করেছেন। প্রকল্প পরিচালক মফিজুর রহমান বলেন, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেললাইন নির্মাণের জন্য ঠিকাদার নিয়োগ হয়ে গেছে। আগামী মাসে কাজ শুরু হবে। আমরা জমি বুঝে পাওয়ার অপেক্ষায় আছি। এক সাথে দোহাজারী এবং কক্সবাজার থেকে কাজ শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা এতদিন টাকা জোগাড় করার জন্য চেষ্টা করেছি। এখন টাকার সংস্থান হয়ে গেছে।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় হবে ১৮ হাজার ২০ কোটি টাকা। ডুয়েলগেজের এ রেললাইন দুটি প্যাকেজে বাস্তবায়ন হবে। প্রথমে দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত এবং পরে কক্সবাজার থেকে ঘুনধুম পর্যন্ত। দোহাজারী থেকে রামু–কক্সবাজার পর্যন্ত ১০১ কিলোমিটার প্রথম দফায় বাস্তবায়ন হবে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ১৫শ মিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তায় অবশেষে আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্প। মূল প্রকল্পের জন্য মোট ৪ কিস্তিতে এডিবি ১৫শ মিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা দেবে বলে জানান প্রকল্প পরিচালক মফিজুর রহমান। প্রথম কিস্তির ৩০০ মিলিয়ন ডলার প্রদানের জন্য গত ২১ জুন এডিবি ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। প্রথম কিস্তির কাজ বাস্তবায়নের পর দ্বিতীয় কিস্তির ৪০০ মিলিয়ন ডলার, তৃতীয় কিস্তির ৫০০ মিলিয়ন ডলার এবং চতুর্থ কিস্তির ৩০০ মিলিয়ন ডলার ছাড় দেবে এডিবি। এ প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে সাড়ে ২২শ কোটি টাকা দিয়েছে সরকার। গুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের টাকা দিয়েছে সরকার এবং মূল প্রকল্পের টাকা দেবে এডিবি।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল দোহাজারী–রামু–কক্সবাজার এবং রামু–ঘুনধুম পর্যন্ত মিটারগেজ রেলপথ নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অর্থ যোগান না হওয়ায় প্রকল্পের কাজ এতদিন এগোয়নি। প্রকল্পের নির্মাণকাল নির্ধারণ করা হয়েছে তিন বছর। রেলওয়ে কর্মকর্তারা আশা করছেন, ২০২০ সালের শুরুতেই পুরোপুরি চালু হবে আলোচিত এ রেললাইন।

প্রকল্প পরিচালকের দপ্তর থেকে জানা গেছে, দোহাজারী থেকে রেললাইন শুরু হয়ে কক্সবাজারের ঝিলংজা পর্যন্ত যাবে এই লাইন।

মতামত...