,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্র হত্যার দায় স্বীকার করে ৫ জনের আদালতে স্বীকারোক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম::চট্টগ্রাম কলেজিয়েট হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র আদনান ইসফার (১৫) খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত পাঁচজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। হত্যার দায় স্বীকার করে এই জবানবন্দী দিয়েছে বলে জানায় পুলিশ। হত্যায় পিস্তল সরবরাহ করেছে এনাম। ছুরিকাঘাত করেছে মঈন। গ

শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আবু সালেম মো. নোমানের আদালতে জবানবন্দী দেন হত্যায় জড়িত ৫ তরুণ।

আদালতে জবানবন্দী দিয়েছেন গ্রেপ্তারকৃত হাজেরা–তজু ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র মঈন খান, সাব্বির খান, মুনতাছির মোস্তফা, ইসলামিয়া কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করা আবদুল্লাল আল সাঈদ ও হলি ফ্লাওয়ার স্কুলের থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী এখলাস উদ্দিন আরমান। জবানবন্দীতে এই ৫ তরুণ ছাড়াও জিলহাজ নামে আরও একজন জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন তারা। জবানবন্দীতে সাব্বির বলেন, ‘ঘটনার সময় এনাম অস্ত্র সরবরাহ করেছে। তবে অস্ত্র ঠেকিয়ে আমি ভয় দেখিয়েছি। গুলি করিনি। আদনানকে ছুরি মেরেছে মঈন। ঘটনার পর সেই অস্ত্র সাকিব মুরাদের কাছে জমা দিয়ে পালিয়ে যাই।’ অস্ত্র সরবরাহকারী এনাম ও পরে জমা নেওয়া সাকিব মুরাদ দুইজনই চকবাজার আওয়ামী লীগ নেতার অনুসারী বলে পরিচিত। এনাম হোসেন হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। তার বাড়ি রাউজানের পাহাড়তলী গ্রামে।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর জামাল খান এলাকায় ছুরিকাঘাতে খুন হয় চট্টগ্রাম কলেজিয়েট হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র আদনান ইসফার। এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার নগরীর বহদ্দারহাট ও ফটিকছড়ি উপজেলার সমিতির হাট থেকে হত্যায় জড়িত ৫ তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ–কমিশনার (এডিসি–দক্ষিণ) শাহ মো. আব্দুর রউফ বলেন, গ্রেপ্তারকৃত পাঁচজনই আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। বাকি যাদের নাম এসেছে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।

মতামত...