,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রাম বন্দরে জব্দ রুপির বিশাল চালানটি জাল: সিআইডি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার থেকে আটক দুই কোটি ৭১ লাখ রুপি জাল বলে জানিয়েছে সিআইডি। নোটগুলো উন্নত প্রযুক্তির মেশিনে ছাপানো হওয়ায়, জাল নিশ্চিত হতে ফরেনসিক ল্যাবে সময় লেগেছে প্রায় আটমাস। দুবাই থেকে বাংলাদেশে জাল রুপির চালানকারী শাহেদজ্জামানকেও আটক করেছে পুলিশ।

গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে চট্টগ্রাম বন্দরের আট নম্বর শেডে বিপুল অংকের রুপির চালান ধরা পড়ে।  সে সময় উপস্থিত সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ধরেই নিয়েছিলেন এগুলো আসল নোট। এমনকি পরদিন কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বন্দরে সেগুলো গণনার সময়ও তা আসল বলেই মনে করেছিলেন কর্মকর্তারা। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার ঢাকার ফরেনসিক ল্যাব থেকে প্রতিবেদন পাওয়ার পরই সিআইডি নিশ্চিত হয় আটককৃত ভারতীয় রুপিগুলো ছিলো জাল।

চট্টগ্রাম অঞ্চলের সিআইডি’র পরিদর্শক লিটন দেওয়ান বলেন, ‘এই অর্থগুলো যে মেশিনে তৈরি করেছিল সেগুলো মনে হয় উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি ভাল মেশিন। যারা এগুলো ছাপিয়েছে তারা এগুলোকে যাতে আসলের মতো মনে হয় সেজন্য সূক্ষ্মভাবে করেছে।’

প্রতিবেদন উল্লেখ করা হয়েছে, রুপিগুলো ছাপানোর কাজে অপটিক্যাল ভেরিয়েবল কালি ব্যবহার করা হয়নি। পাশাপাশি টাকার সুতা বা ফাইবারে ত্রুটি ধরা পড়েছে এক্সরে পরীক্ষায়।

চট্টগ্রাম অঞ্চলের সিআইডি’র পরিদর্শক লিটন দেওয়ান বলেন, ‘ইউএই থেকে যে মালগুলো পাঠিয়েছে ওই আসামিকে আমরা ধরতে সক্ষম হয়েছি। ওই আসামি বর্তমানে চট্টগ্রাম জেলে আছে। আমরা রিমান্ডের আবেদন করেছি। রিমান্ডের আবেদন নামঞ্জুর হয়ে আমরা জেলগেটে দু’দিন জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ পেয়েছি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বিস্তারিত জানা যাবে।’

তবে ২ কোটি ৭১ লাখ রুপি মূল্যমানের নোট উদ্ধারের পর মামলার প্রাথমিক তদন্ত করে বন্দর থানা পুলিশ।  সে তদন্তে বের হয়ে এসেছিলো ভারতীয় রুপি পাচারের মূল উদ্দেশ্যে।

সিএমপি’র উপ-কমিশনার (বন্দর জোন) হারুনুর রশীদ হাযারী বলেন, ‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য এই টাকা আনা হয়েছিলো।’

চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমান বন্দর থেকে ভারতীয় রুপি’ আটকের অপর মামলাটিও সিআইডি তদন্ত করছে।

 

মতামত...