,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রাম মহানগরীর গরু বাজারে কোরবানির পশু বেচা-কেনা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ২৪ আগস্ট, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: জিলহজ মাসের প্রথমদিন আজ। শুরু হচ্ছে কোরবানির পশু বেচাকেনা। চট্টগ্রাম মহানগরীর দুটি স্থায়ী ও ৬টি অস্থায়ী গরু বাজারে কোরবানির পশুর সরবরাহ অনেক বেড়েছে। বেচা-কেনাও চলছে ।তবে খুব সমান্য।

চট্টগ্রাম মহানগরীর অস্থায়ী গরুর বাজার কর্ণফুলী বাজারের (নূরনগর হাউজিং সোসাইটি মাঠ) ইজারাদার মো. সোলায়মান বিডিনিউজ রিভিউজ.কম কে বলেন, বাজারে ইতিমধ্যেই প্রায় ৫ হাজার গরু এসেছে। বিভিন্ন জেলা থেকে গরুবাহী অনেক ট্রাক এখনো রাস্তায় রয়েছে। এবার গরু ব্যবসায়ীদের থেকে খুঁটি ও অন্যান্য কোনো টাকা নেয়া হবে না। এই ঘোষণার পর ব্যবসায়ী ও বেপারিরা এই বাজারে গরু আনতে উৎসাহ দেখাচ্ছেন।

নগরীর স্থায়ী দুটি বাজারের সঙ্গে আজ থেকে অস্থায়ী ৬টি বাজারেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোরবানির পশু বেচাকেনা শুরু হচ্ছে। জিলহজ মাসের ১ থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত ১০ দিনের জন্য অস্থায়ী পশুর হাটগুলো বসে।

বুধবার সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে নূরনগর হাউজিং মাঠ গরুর বাজার উদ্বোধন করেন। এসময় ৭ লাখ টাকা দামে প্রথম বিক্রি হওয়া দুটি গরু ক্রেতার হাতে তুলে দেন তিনি।

নূরনগর হাউজিং মাঠ গরুর বাজার ঘুরে দেখা যায়,বিকেলে বিচ্ছিন্নভাবে গরুবাহী ট্রাক বিভিন্ন হাটবাজারে ঢুকছে। রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সাতক্ষ্মীরা, পটুয়াখালী, কুষ্টিয়া, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জসহ উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে নগরীর বাজারগুলোয় গরু আসছে। গরুর খাবারের রান্নার জন্য ডেক্সি, পাতিল, বালতি, চাল, ভূষি, খড়–খুটোসহ কয়েকদিনের রান্নাবান্নার সরঞ্জামাদি নিয়ে এসেছেন বেপারিরা।

নগরীর সবচেয়ে বড় গরুর বাজার সাগরিকা বাজারের ইজারাদার সাইফুল হুদা জাহাঙ্গীর বিডিনিউজ রিভিউজ.কম কে  বলেন, বর্তমানে বাজারে তিন–চার হাজার গরু রয়েছে।বুধবার থেকে পশুবাহী ট্রাকের সংখ্যা বাড়ছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বেপারি ও ব্যবসায়ীরা গরু নিয়ে বাজারমুখী হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, বাজারে আসা গরুর মধ্যে ভারতীয় থেকে দেশি জাতের গরুর সরবরাহ বেশি রয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, চলতি বছর ভারতীয় গরুর চেয়ে দেশি জাতের গরুর আধিক্য দেখা গেছে।

প্রতিবছরের মতো এবার নগরীর বিভিন্ন বাজারে খুঁটি বাণিজ্য শুরু হয়েছে। নগরীর স্থায়ী দুটি গরুর বাজার খুঁটি বাণিজ্যের দৌরাত্ম্য বেশি রয়েছে। বাজার ছাড়াও আশপাশের মাঠ–অব্যবহৃত জায়গায় খুঁটি পুঁতে ডোগা বা খাইন বাণিজ্য হিসেবে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়।

সাগরিকা গরু বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজার ছাড়াও আশপাশের মাঠ–খালি জায়গায় বিভিন্ন জেলার নামে আলাদাভাবে শেড তৈরি করা হয়েছে। বিবিরহাটেও একইভাবে শেড ও ডোগা নির্মাণ করা হয়েছে। সরকার দলীয় স্থানীয় নেতা ও প্রভাবশালীদের নামেও ডোগা নির্মাণ করা হয়েছে। অস্থায়ী গরুর বাজার স্টিলমিল বাজার, কাঠগড় বাজার ও কমলমুন্সির বাজারে গরু আসতে শুরু করেছে।

বিবিরহাট গরুর বাজারের ইজারাদার জামশেদ খান বিডিনিউজ রিভিউজ.কম কে বলেন, বুধবার থেকে গরুর সরবরাহ বেড়েছে। ৫ শতাধিক গরু বাজারে রয়েছে। সন্ধ্যা ও রাতে আরও কয়েকটি গরুবাহী ট্রাক বাজারে এসেছে।

অল্প কদিনের মধ্যেই চট্টগ্রাম মহা নগরীর সব কটা গ্রুর বাজার জমজমাট হয়ে ঊটবে এবং বেচা-বিক্রীও অনেক বেড়ে যাবে।

মতামত...