,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রাম মহানগরের সড়কে দ্রুততম সময়েই শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবেঃ মেয়র

azm nasir14নাছির মীরবিডিনিউজ রিভিউজঃ ‘চট্টগ্রাম শহরে কোনো ধরনের অবৈধ যান চলতে দেওয়া হবে না’ বলে ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন। এসময় তিনি বলেন, সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে। এখন কত দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই শৃঙ্খলা ফিরে আসবে সেটাই দেখতে হবে। যানজট নিরসনে যত্রতত্র যানবাহন না থামানোর আহবান জানিয়ে পরিবহন শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সত্যিকার অর্থে যাত্রীদের কল্যাণ হয় এমন যাত্রী ছাউনি করার পরিকল্পনা নিয়েছি। ওই স্পটগুলোতেই যাত্রী উঠা-নামা করতে হবে। এসময় তিনি অবৈধ সিএনজিতে মিটার লাগানো যেমন অনিয়ম তেমনি বৈধ সিএনজিতে মিটার লাগিয়ে চালু না রাখাও অনিয়ম বলে মন্তব্য করেন।

cসিটি মেয়রের সাথে সিএনজি, অটোরিক্সা চালক, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন আ.জ.ম নাছির। গতকাল নগর ভবনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন। সভায় নিবন্ধনহীন সিএনজি অটো রিকশা চলাচল বন্ধ, মিটার সংযোজিত সিএনজি রাস্তায় চলাচলের ক্ষেত্রে মিটার ব্যবহার না করা, ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

নিবন্ধনহীন সিএনজি নিয়ে দ্বন্দ্ব : উচ্চ আদালতের রায় নিয়ে নগরীতে বিভিন্ন সময়ে চলাচল করে এমন নিবন্ধনহীন সিএনজি অটো রিকশা নিয়ে সভায় উপস্থিত মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দ পাল্টাপাল্টি বক্তব্য রাখেন।

বাংলাদেশ জাতীয় সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি সিদ্দিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রশাসনের এমন কি বাধ্যবাধকতা রয়েছে নিবন্ধনহীন গাড়িগুলো চলতে দেয়া হচ্ছে। এসময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রশাসনের অনেকের নামেও এসব গাড়ি নাকি বরাদ্দ আছে’। এ সময় চসিক মেয়র তাকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, ‘যে বিষয়ে প্রমাণ নেই সে বিষয়ে বলা অনুচিত’।

এস.কে শিকদার নামে এক পরিবহন নেতা বলেন, প্রতি রিট পিটিশনেই তাদের (নিবন্ধনহীন সিএনজি মালিকদের) সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। ‘চাঁদাবাজি’র কারণেই এমনটি হচ্ছে। এজন্য তিনি ‘হারুনুর রশীদ’ নামে একজনকে দায়ী বলে দাবি করেন। এ সময় ‘অটো রিকশা, অটো টেম্পো শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ বলেন, ‘আমাকে জেলে দিন তবু গাড়িগুলো (নিবন্ধনহীন সিএনজি) চলতে দিন। বর্তমানে চার হাজার নিবন্ধনহীন সিএনজি চলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেকে ভিটেমাটি বিক্রি করে বা ঋণ নিয়ে সিএনজিগুলো কিনেছিল। এগুলোর রেজিস্ট্রেশন দিলে এসব সিএনজির মালিকরা উপকৃত হবেন। অন্যথায় দশ হাজার চালক বেকার হয়ে যাবেন বলেও দাবি করেন তিনি।

অবশ্য হারুনুর রশীদের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে উজ্জ্বল বিশ্বাস বলেন, লাইসেন্সধারী চালক আছেন ২৩ হাজার। বেকার হওয়ার সুযোগ নেই। এ সময় তিনি শ্রমিক-মালিক সংগঠনের দুর্বৃত্তায়ন বন্ধ প্রয়োজন উল্লেখ করে ২০০৭ সালের নীতিমালা পুনর্বহালের দাবি জানান।

সভায় এক শ্রমিক নেতা বলেন, যোগাযোগমন্ত্রী বলেছিলেন নিবন্ধনহীন নীতিমালার আলোকে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় নতুন সিএনজি নামতে দেয়া হবে। এ ঘোষণা রাজনৈতিক সমাবেশের ছিল না, ছিল মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ মিটিং শেষে। এই নিয়ে ২০১৩ সালে একটি সার্কুলারও হয়েছিল। পরবর্তীতে এই সার্কুলারের বিরুদ্ধে মামলা হলে তা স্থগিত হয়ে যায়। এ শ্রমিক নেতারও দাবি, বর্তমানে নিবন্ধন নেই এমন সিএনজিগুলোর রেজিস্ট্রেশন দেয়া হোক।
এ প্রসঙ্গে সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মাসুদ উল হাসান বলেন, অবৈধ গাড়ি থাকবে না এটা নিশ্চয়তা দিতে পারি। মামলার প্রেক্ষিতে অনিবন্ধিত সিএনজিগুলো সড়কে চলাচল করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আদালতের রায় আমরা মানতে বাধ্য। আদালতের রায়ের ব্যাখ্যা চাওয়ারও সুযোগ নেই। তথ্য গোপন করে নিম্ন আদালতে রিট করার যে প্র্যাক্টিস তা অনৈতিক। অনেক খুনিও এভাবে তথ্য গোপন করে জামিন নেয়।

অনিবন্ধিত সিএনজিতে মিটার লাগানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মিটার ছাড়া গাড়ি চলতে পারবে না। এই নির্দেশের প্রেক্ষিতেই হয়তো তারা লাগিয়েছে। তবে অনিবন্ধিত ৫শ’ সিএনজি মনে হয় মিটার লাগিয়েছে। কিন্তু চূড়ান্তভাবে বিআরটিএ কেলিব্রেশন করেনি।

১৩ হাজারে আছে ১০ হাজার :
অনুমোদিত ১৩ হাজার সিএনজির মধ্যে বর্তমানে ১০ হাজার ৩শ’ সিএনজির অস্তিত্ব রয়েছে বলে সভায় তথ্য প্রকাশ করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন। তিনি বাকি সিএনজিগুলো কোথায় গেল সেটা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
এ সময় হায়দার আলী নামে এক পরিবহন নেতা বলেন, ‘১৩ হাজারের মধ্যে কয়টি গাড়ি ডকুমেন্ট নবায়ন করেছে তার তালিকা করলেই মিসিং হওয়া গাড়িগুলোর হদিস মিলবে।’ তিনি দাবি করেন, ‘অনিবন্ধিত সিএনজিগুলোতে যারা মিটার সংযোজন করেছেন তাদের কালো তালিকা করে যেন ব্যবস্থা নেয়া হয়। এছাড়া মিটারে যাত্রীপরিবহন নিশ্চিতে ‘স্পট ফাইন’ করারও পরমার্শ দেন তিনি।

লাইসেন্স পেতে লিখিত পরীক্ষা নয় :
চালকদের লাইসেন্স নেয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান লিখিত পরীক্ষার বিরোধিতা করেছেন সভায় উপস্থিত বেশ কয়েকজন অটোরিকশা ও সিএনজি অটোরিকশা চালক শ্রমিক নেতারা। কয়েকজন শ্রমিক নেতা সভায় বলেন, অনেক খেটে খাওয়া মানুষ লাইসেন্স নিয়ে গাড়ি চালাতে আসেন। কিন্তু তারা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেন না। এই লিখিত পরীক্ষা যেন তুলে দেয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অটোরিকশা ও অটো টেম্পো শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম খোকন বলেন, বাস্তবিক জ্ঞান কতটা আছে সেটার উপর নির্ভর করে চালকদের লাইসেন্স দিতে হবে। কারণ এরা গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষ। জীবিকার তাগিদে শহরে এসে গাড়ি চালায়। এদেরকে যদি লিখিত পরীক্ষা দিয়ে চালকের লাইসেন্স নিতে হয় তাহলে তারা কেউ লাইসেন্স নিতে সমর্থ হবে না। এ সময় বেশ কয়েকটি সংগঠনের নেতারা তাকে সমর্থন করেন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন বলেন, এত সহজ প্রশ্ন দেয় তবু না পারলে তো হবে না। আমাকে বিআরটিএ’র মহাপরিচালকও বলেছেন প্রশ্ন সোজা করে দিতে। আমিও ম্যাজিস্ট্রেটদের বলেছি সোজা প্রশ্ন করতে। কিন্তু অধিকাংশ সময় সোজা প্রশ্নের উত্তরও দিতে পারে না। মিনিমাম পড়াশুনা না জানলে কি হবে? অনেক সময় এমনও হয় যে পরীক্ষা দিতে আসা অনেকে গাড়ির পার্টস সম্পর্কে জানে না। জানে না কোন ট্রাফিক সাইন দেখলে কি করতে হবে। এটা না জানাও তো বিপজ্জনক।
এ সময় মেয়র আ.জ.ম নাছির বলেন, বাস্তবতার নিরিখে আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে। ন্যূনতম স্বাক্ষরজ্ঞান লাগবে চালক হতে গেলে। তখন এক শ্রমিক নেতা বলে উঠেন, ‘সিস্টেমে গেলে ঠিক-ই হয়ে যায়’। প্রত্যুত্তরে মেয়র বলেন, কোন অনিয়ম হলে জানাবেন। আমরা ব্যবস্থা নিব। জেলা প্রশাসকও অনিয়ম হলে তা তার দপ্তরকে অবহিত করতে অনুরোধ করেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন।

বিআরটিএর উপ-পরিচালক মো. শহীদুল্লাহ বলেন, নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারলেই আমরা লাইসেন্স দিয়ে ফেলি।

যানজটের জন্য ‘গ্রাম’ গাড়িকে দোষারোপ :
গ্রামের সিএনজিগুলো শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্টেশন করায় নগরীতেও যানজট সৃষ্টি হয় বলে দাবি করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন মালিক গ্রুপের মহাসচিব বেলায়েত হোসেন। তিনি বলেন, রাস্তার মাথা, কর্ণেলহাট, শাহ আমানত ব্রিজ এবং অক্সিজেন মোড়ে ‘গ্রাম’ গাড়িগুলো এসে ভিড় করে যানজট সৃষ্টি করে। স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ও ট্রাফিক পুলিশের সহায়তায় তারা এ জায়গাগুলোতে মাসিক মাসোহারার ভিত্তিতে গাড়ি পার্কিং করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রিকশার সংখ্যা নির্ধারণ জরুরি :
সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মাসুদ উল হাসান শহরের চলাচলরত রিকশার সংখ্যা নির্ধারণ জরুরি মন্তব্য করে বলেন, প্রায় ৭০ হাজার রিকশা চলাচল করে। অথচ নবায়ন আছে ৫৩ হাজার ৭শ’ ৪৩টি। এ সময় তিনি ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধেও অভিযান জোরদার করা হবে বলে ঘোষণা দেন এবং নতুন করে রিকশার লাইসেন্স না দিতে চসিককে অনুরোধ করেন।
তিনি আরো বলেন, অবৈধ পার্কিংয়ের জন্য আমরা মামলা দেই। কিন্তু বৈধ পার্কিংয়ই তো নেই। এ সময় তিনি ২৪টি পার্কিং স্পট চিহ্নিত করা হয়েছে উল্লেখ করে তা মেয়রের হাতে সোপর্দ করবেন বলেও জানান।

সভায় মেয়র আরো বলেন, গণপরিবহনে শৃংখলা ফিরিয়ে আনার জন্য মন্ত্রী কর্তৃক গঠিত কমিটি পরিবহনে সংশ্লিষ্টদের সাথে বৈঠক করে সৃষ্ট অসুবিধা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট স্থানে যাত্রী উঠানামা করার জন্য সিসিসি নগরীতে নতুন করে যাত্রী ছাউনি করবে যেখানে ওয়াইফাই, সিটি হেল্প ডেস্ক, এটিএম বুথসহ যাত্রীদের জন্য নানান সুযোগ সুবিধা থাকবে। তিনি মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলোর নেতাদের পাল্টাপাল্টি মামলা না করতে অনুরোধ করে বলেন, যেভাবে মামলা-মোকাদ্দমায় জড়িয়ে পড়ছেন সেটা ঠিক না। একজন তো মামলার পিছনে ৮০ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে বলল, কিন্তু এত টাকা কি সে নিজ পকেট থেকে দিয়েছে। নিশ্চয়ই না। এভাবেই তো অনিয়ম হচ্ছে।

আছে নানা অভিযোগ :
সভায় মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতারা ট্রাফিক বিভাগের প্রসিকিউশন শাখায় অনিয়ম হয় বলেও অভিযোগ করেন। এছাড়া উড়াল সড়ক সেতু নির্মাণকে কেন্দ্র করে নতুন ব্রিজে যে অস্থায়ী টার্মিনাল গড়ে তোলা হয়েছে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান। থ্রি হুইলার গাড়ির জন্য ডেডিকেটেড টার্মিনাল নির্মাণে ব্যবস্থা নিতে মেয়রের প্রতি আহবান জানান।

গণপরিবহণ নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক :
এদিকে সিএনজি, অটোরিক্সা চালক, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠকের পরপর ‘চট্টগ্রাম গণপরিবহন মালিক শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও প্রাইম মুভার ট্রেইলার মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ প্রতিনিধিদের সাথেও মেয়র বৈঠক করেন।

বৈঠকে প্রাইম মুভার ট্রেইলার মালিক শ্রমিক ঐক্যপরিষদের দাবি, ‘চসিকের কর ৫০০ টাকার স্থলে ১০ হাজার টাকা প্রত্যাহার’ প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সরকারের ঘোষিত গেজেট অনুযায়ী কর নেয়া হয়। এখানে চসিকের কোন এখতিয়ার নেই কর নির্ধারণের।

শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সফর আলী বলেন, চট্টগ্রামে যানজট তৈরি করার মত গাড়ি নেই। সুষ্ঠু সড়ক ব্যবস্থাপনা করতে পারলে যানজট অনেক কমে আসবে।

সভায় পরিবহন মালিকরা সীতাকুণ্ডে বিদ্যমান স্কেলে বিভিন্ন অনিয়ম হয় বলেও অভিযোগ করেন। এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক স্থানীয় প্রশাসন ও মালিকদের প্রতিনিধি নিয়ে কমিটি গঠন এবং ইজারাদারের পরিবর্তে সরকারিভাবে স্কেল চালানোর জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দিবেন বলেও আশস্ত করেন।

সভায় পরিবহন মালিকরা বাস, ট্রাক, ট্রলি, প্রাইম মোভার, কাভার্ড ভ্যান, টার্মিনাল নির্মাণ, স্কেলে ওজনে হয়রানি, পুলিশ ও নানামুখি জটিলতা নিরসন, নির্বিঘ্নে রাস্তায় চলাচলের বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাবনা দেন। প্রস্তাবিত বিষয়ে উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস দেন মেয়র।

সভায়  চসিকের সচিব মোহাম্মদ আবুল হোসেন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (নিরাপত্তা) লে. কর্নেল মোহাম্মদ আবদুল গাফ্‌ফার, ডেপুটি ট্রাফিক ম্যানেজার গোলাম সারওয়ারুল ইসলাম, হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের এডিশনাল এসপি মো. এনামুল হক, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের এডিশনাল এসপি মো. হাবিবুর রহমান, বিআরটিএ’র উপ পরিচালক মো. শহিদুল্লাহ, সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদুল আলম, চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি মঞ্জরুল আলম মঞ্জু, মহাসচিব আবুল কালাম আজাদ, কার্যকরী সভাপতি জহুর আহমদ, জাতীয় শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সফর আলী, চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সহ সভাপতি মাহবুবুল হক মিয়া, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি ইকবাল এম এম করিম, মহাসচিব বেলায়েত হোসেন বেলাল, সিটি বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল হাকিম, বাংলাদেশ জাতীয় সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি সিদ্দিকুল ইসলাম, ট্রেইলর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস, চট্টগ্রাম প্রাইম মোভার ট্রেইলর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, চট্টগ্রাম পিএবি সড়ক যানবাহন মালিক সমিতির সভাপতি মো. জাফর উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ জেলা হাইস, মাইক্রোবাস সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি লায়ন এম আইয়ুব, চট্টগ্রাম জেলা ট্রাক সমিতির সভাপতি আবদুল মান্নান, উত্তর চট্টগ্রাম ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আহসানুল্লাহ চৌধুরী, চট্টগ্রাম বন্দর ট্রাক কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহুর আহমদ এবং চট্টগ্রাম সিএনজি, অটোরিক্সা মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে আবিদা আজাদ, আবদুর রশিদ লোকমান, মো. সিদ্দিক মিয়া, আলহাজ্ব মো. হোসেন, নুর মোহাম্মদ, আনোয়ার হোসেন, স্বপন সিং, গোলাম মোস্তফা, কলিম শেখ, মো. ইদ্রিস, মো. মনির হোসেন, মো. ফেরদৌস উদ্দিন, মো. নুরুল ইসলাম, মো. সিদ্দিকসহ পরিবহন সেক্টরের বিভিন্ন রের মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

মতামত...