,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হবে শিক্ষা ও গবেষণার জন্য যুগোপযোগী: উপাচার্য ডা. ইসমাইল খান

নিজস্ব প্রতিবেদক,৮ আগস্ট, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম::মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. ইসমাইল খান বলেছেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়টি এডুকেশন, রিচার্স, লিডারশিপ এবং কেয়ারের জন্য মানসম্মত যুগোপযোগী একটি বিশ্ববিদ্যালয় হবে।

সোমবার মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকসাস ডিজিজ (বিআইটিআইডি)-এর সভা কক্ষে আয়োজিত সমন্বয় সভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১৬ (২০১৬ সনের ১৭ নং আইন) অনুযায়ী চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রতিটি জেলার মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ, নার্সিং কলেজের প্রধানদের উপস্থিতিতে এই সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে উচ্চ শিক্ষা, গবেষণা, সেবার মান এবং সুযোগ সুবিধা সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনকল্পে প্রণীত আইন উপস্থাপন ও মতামত প্রদান করা হয়।

প্রজেক্টের মাধ্যমে চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত নানা তথ্য উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. ইসমাইল খান। প্রজেক্টে উল্লেখ করা হয়, সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনকল্পে প্রণীত আইনটি ১২ মে ১০১৬ তারিখে রাষ্ট্রপতির সম্মতিলাভ করেছে। এই আইনের বিধান অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগরীতে অথবা সরকার কর্তৃক অন্য কোন স্থানে চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হবে। প্রজেক্টের মাধ্যমে চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যালয়ের (ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিউক্লিয়ার মেডিসিন ভবন এর ৭ম তলা, চট্টগ্রাম ফৌজদারহাটে বিআইটিআইডি ভবনে অস্থায়ী কার্যালয়ের চিত্র, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ফৌজদারহাটে জায়গায় ডিজিটাল জরিপের চিত্র, বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য মনোগ্রামে চিত্র উপস্থাপন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনকল্পে আইনটি চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১৬ নামে অভিহিত হবে। সরকার, সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করবে সে তারিখে কার্যকর হবে। আইনে কমিটি গঠন, সদস্যপদে শূন্যতা, ইত্যাদির কারণে কার্যধারার অবৈধ না হওয়া, আপিলের অধিকার, অবসরভাতা ও ভবিষ্য তহবিল, অধিভুক্ত হওয়া সংক্রান্ত বিশেষ বিধান, সংবিধি, ইংরেজিতে অনুদিত পাঠপ্রকাশ সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি উপধারা (১) এর সামগ্রিকতাকে ক্ষুণœ না করে সরকার কর্তৃক ভিন্নরূপ কোন সিধান্ত গৃহীত না হলে, চট্টগ্রাম বিভাগ ও সিলেট বিভাগের আওতাধীন সকল সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ, নার্সিং কলেজ বা ইনস্টিটিউট বা মেডিকেল প্রতিষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হবে বলে এই আইনে উল্লেখ রয়েছে। প্রজেক্ট উপস্থাপনশেষে উপস্থিত সকলে তাদের মতামত প্রদান করেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. ইসমাইল খানসহ উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) পরিচালক বিগ্রেডিয়ার মো. জালাল, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপ্যাল মো. সেলিম জাহাঙ্গীর, আব্দুল মালেক মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপ্যাল ডা. মীর হামিদুর রহমান, রাঙামাটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপ্যাল ডা. টিপু সুলতান, ময়নামতি মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপ্যাল ডা. তৃপ্তিশ চন্দ্র ঘোষ, কুমিল্লা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপ্যাল অধ্যাপক ডা. গোলাম সামদানী প্রমুখ।

মতামত...