,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল সংস্কার ও উন্নয়নে সিডিএ প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায়

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম::চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়নে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)র গৃহীত প্রকল্পের কাজ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের (এলজিআরডি) অনুমোদনের অপেক্ষায় থমকে আছে বলে জানা গেছে। অথচ চলতি জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে প্রকল্পের কাজ শুরুর কথা থাকলেও তা অনুমোদন না হওয়ায় কাজ শুরু করা যাচ্ছে না।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)র চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, ‘ প্রকল্পটি সিডিএ, সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসার সমন্বয়ে গঠিত টেকনিক্যাল কমিটির সুপারিশ অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। সুপারিশগুলো স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এগুলো মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই আমরা কাজে নেমে যাবো। এতে আর কোনো সমস্যা নেই। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী দেশে না থাকায় প্রকল্প অনুমোদনে সময় লাগছে। তিনি দেশে ফিরেলেই অনুমোদন পাওয়া যাবে ।

প্রকাশ, ১৯৯৫ সালের সিডিএ’র মাস্টারপ্ল্যান ও ২০১৬ সালের ওয়াসার মাস্টারপ্ল্যানকে ভিত্তি করে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে এ মেগা প্রকল্পের উদ্যোগ নেয়া হয়। গত বছরের ৯ আগস্ট একনেক সভায় ৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকার অনুমোদন দেয়া হয়। পরবর্তীতে মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রকল্পের সমন্বয়ের জন্য চসিক, চট্টগ্রাম ওয়াসা, পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে সংযুক্ত করা হয় এবং সমন্বয়ের জন্য একটি টেকনিকেল কমিটিও গঠন করা হয়।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে টেকনিকেল কমিটির আহ্বায়ক, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী এবং পানিসম্পদ মন্ত্রীকে সদস্য করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, সিডিএ, চট্টগ্রাম ওয়াসা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিনিধি নিয়ে টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হয়।ইতোমধ্যে টেকনিক্যাল কমিটির পরামর্শে প্রকল্পের কাজে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে।

জানা গেছে,পরিবর্তনের ফলে বর্তমান প্রকল্প ব্যয় ৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। পূর্বের ৩৬টি খালের পরিবর্তে এখন নগরীর ৫৭টি খাল উদ্ধার, পরিষ্কার ও পুনঃখনন করার প্রস্তাব এসেছে। আর সিডিএর পাশাপাশি এখন প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের কাছে দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক সিডিএর প্রকৌশলী আহম্মদ মাঈনুদ্দীন জানিয়েছেন, সুপারিশমালা অনুযায়ী, প্রকল্পের মেজর কন্সট্রাকশন ওয়ার্ক সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে পরিচালিত হবে। এছাড়া প্রকল্পের ডিজাইন সুপারভিশন, ভূমি অধিগ্রহণ, যন্ত্রপাতি ক্রয় ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করবে সিডিএ। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা থেকে বেড়ে সাড়ে সাত কোটি টাকার কাছাকাছি যেতে পারে।

মতামত...