,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রাম শহরে অনুমোদনবিহীন মাহেন্দ্র: পুলিশ দেখে না!

নিজস্ব প্রতিবেদক, ৭ জুলাই, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: বানিজ্য রাজধানী চট্টগ্রাম শহরের রাস্তায় অবাধে চলছে অনুমোদনহীন মাহেন্দ্র।বাড়ছে দুর্ঘটনা। কিশোর চালকের সাথে শিশু সহকারী মিলে চালাচ্ছে এ অনুমোদন হীন যান। কাগজ প্ত্র না থাকলেও এসব গাড়ি চলাচলে কোন সমস্যা নেই বলে জানালেন এর চালকরা। তাদের ভাষায়- মাসিক চুক্তিতেই চলে অনুমোদনহীন এ মাহেন্দ্র।

মহা সড়কে সিএন জি চলাচলে নিষেধ থাকলেও মাহেন্দ্র থ্রী হুইলার চলছে অবাধে। ট্রাফিক পুলিশ রাস্তায় থাকলেও তারা এসব দেখেন না।

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) অনুমতির তোয়াক্কা না করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর (১৮২৬/৮৯) লাগিয়ে এবং ট্রাফিক পুলিশের সহযোগিতায় নগরীতে চলছে তিন চাকার মাহেন্দ্র। প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা বিনিয়োগ করে অনুমোদনহীন যান কিনছেন মালিকরা। সেই যানে লাগিয়ে দেয়া হচ্ছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর সংযুক্ত মালিক সমিতির স্টিকার। তারপর সেসব যান নেমে পড়ছে নগরীর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়কে। যানের মালিক দৈনিক আয় গুনছেন আটশত টাকা।

কর্নেলহাট এলাকার মাহেন্দ্র স্টেশনের লাইনম্যান মো. বাবুল জানান, আমরা বিআরটিএ’র কাছে আবেদন করেছি। কবে অনুমোদন পাবো তা নিশ্চিত বলা সম্ভব নয়। এতো দিন ধরে তো গাড়ি বসিয়ে রাখা সম্ভব নয়।’ বিআরটিএ’র অনুমতি ছাড়া গাড়ি রাস্তায় চালাতে সমস্যা হচ্ছে কিনা

তিনি বলেন, বিআরটিএ’তো আর রাস্তায় নামে না, পুলিশকে খুশি করতে পারলেই হয়।’ পুলিশকে কীভবে খুশি করেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন লাইনের গাড়ি অনুযায়ী প্রতি শিফটে পঞ্চাশ টাকা করে দুই শিফটে একশো টাকা দিই। এতে উনারাও খুশি থাকেন, আমরাও খুশি থাকি। কারো কোন সমস্যা হয় না।’ অথচ ব্যক্তিস্বার্থকে বড় করে দেখতে গিয়ে তারা কেউই ভাবেন না বাংলাদেশ সরকার কি পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) দেবদাস ভট্টাচার্য জানান, অনুমতি উপেক্ষা করে দু’একটি মাহেন্দ্র চলাচল করলেও করতে পারে। তবে এ ব্যাপারে আমার কাছে কোন তথ্য নেই। কেননা এখনো পর্যন্ত আমার চোখে কোন মাহেন্দ্র পড়েনি। পুলিশের দুর্নীতি প্রসঙ্গে তাকে অবহিত করার পর তিনি জানান, ‘যদি কোন পুলিশ সদস্য এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকেন, তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় এনে তার বিরুদ্ধে  ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মতামত...