,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চন্দনাইশে এলপি গ্যাস প্রতিস্থাপনের অভিযোগ

cng cilidrচন্দনাইশে সংবাদদাতা, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃচট্টগ্রাম,  চন্দনাইশে উপজেলার কয়েকটি এলাকায় অবৈধভাবে বড় বোতল থেকে ছোট বোতলে এলপি গ্যাস প্রতিস্থাপন করায় যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সচেতন মহল।

সারা বাংলাদেশের ন্যায় চন্দনাইশে বসুন্ধরা, টোটাল, এলপি, ওমরা, টিকে সুপার, বিএম, ক্লিনটিক, বিবিসি গ্যাস সাধারণ মানুষ রান্নাবান্নার কাজে ব্যবহার করে থাকেন। প্রতিটি বোতলে ১২ কেজি গ্যাস থাকার কথা থাকলেও অনেক বোতলে এর পরিমাণ ১০ থেকে ১১ কেজি পাওয়া যায়। তাছাড়া কিছু কিছু বোতলের নিচের অংশে পানি থাকার কারণে ওজন ঠিক থাকলেও গ্যাস ব্যবহারে ক্ষতির শিকার হচ্ছেন সাধারণ গ্রাহকেরা।

 জানা যায়, উপজেলার জোয়ারা রাস্তার মাথার পূর্ব পার্শ্বে, গাছবাড়িয়া খানহাট ও বাগিচাহাট এলাকায় পৃথক পৃথকভাবে অবৈধ উপায়ে এলপি গ্যাস প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে। এ সকল এলাকায় গ্যাসের গন্ধে পরিবেশ দূষণের শিকার হচ্ছেন লোকজন। এ সকল দোকানীরা ৩৫ এবং ৪৫ কেজি গ্যাসের বোতল থেকে ছোট বোতলে গ্যাস প্রতিস্থাপন করে খোলা বাজারে বিক্রি করছে। যা কোনভাবেই আইনসঙ্গত নয়। এ প্রতিস্থাপনের কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা হতে পারে ।

গেল ১৯ মার্চ কর্ণফুলী থানাধীন কলেজ বাজার সংলগ্ন এলাকায় এ ধরনের কারখানায় ১৫০টি বোতল এক সাথে বিস্ফোরণ হয় । একইভাবে কয়েক মাস আগে লোহাগাড়া এলাকায় গ্যাস ট্রান্সফার করতে গিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় ১ জনের মৃত্যু হয়। এ ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে চন্দনাইশের মানুষও। এ ব্যাপারে বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের পরিবেশক মো. আবুল কালাম আজাদ এক মাস আগে চন্দনাইশ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু থানা কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে অদ্যাবধি পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরো বলেন, চন্দনাইশে কোন এলপি গ্যাস কোম্পানির পরিবেশক নেই। ফলে অবৈধ ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। এতে ক্ষতির শিকার হচ্ছেন সাধারণ গ্রাহকেরা। সেইসাথে যেকোন সময় এলপি গ্যাসের বোতল থেকে বিস্ফোরণ ঘটে দুর্ঘটনাসহ প্রাণহানি ঘটার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। এ ব্যাপারে এলপি গ্যাসের গ্রাহকদের সচেতনতার পাশাপাশি প্রশাসনকে পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন অভিজ্ঞ মহল।

বি এন আর/০০১৬/০০৪/০০৩/০০০৪৭৬০/ এন

মতামত...